ওয়াশিংটন: আমেকিরায় স্থগিত হয়ে গেল জনসন অ্যান্ড জনসন করোনা ভ্যাকসিনের প্রয়োগ। সিঙ্গল ডোজের এই ভ্যাকসিনের ফলে একাধিক ব্যক্তির শরীরে রক্ত জমাট বেঁধেছে বলে রিপোর্ট এসেছে। তারপরই এই ভ্যাকসিন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে তারা রিপোর্ট পেয়েছে যে জনসন অ্যান্ড জনসন ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ৬ জন মহিলার শরীরে রক্ত জমাট বেঁধেছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরদিনই এই ঘটনা ঘটেছে। তাদের প্লেটলেট কাউন্ট পড়ে গিয়েছে। রক্তের জমাট বেঁধে গিয়েছে। এর জন্য তাদের স্বাভাবিক চিকিৎসা শুরু হয়েছে। রক্ত ​​পাতলা করার জন্য হেপারিন ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এটি বিপজ্জনক হতে পারে। তবে বেশিরভাগ টিকা গ্রহণকারীর কোনও সমস্যা হয়নি বা হলেও তা মৃদু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। জনসন অ্যান্ড জনসন ভ্যাকসিনের প্রায় ৬.৮ মিলিয়ন বর্তমানে আমেরিকার কাছে রয়েছে।

যদিও জনসন অ্যান্ড জনসন ভ্যাকসিন ব্যবহার থামিয়ে দিলেও মডার্না ও ফাইজারের ভ্যাকসিন এখনও দেওয়া হচ্ছে আমেরিকায়। তবে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তরফে জানা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের থেকে রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন স্থগিত রাখা হয়েছে। যাদের এই ভ্যাকসিন নেওয়ার তিন সপ্তাহের মধ্যে মাথা ব্যাথা, পেট যন্ত্রণা, পায়ে ব্যাথা বা অল্প শ্বাসকষ্ট হয়েছে তাদের চিকিৎসা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি মাসে জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনা ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে আমেরিকা। জনসন অ্যান্ড জনসনের তরফে দাবি করা হয়েছিল, তাদের তৈরি একটি মাত্র টিকা প্রয়োগ করলেই মানবদেহে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধী ক্ষমতা গড়ে উঠবে। তৃতীয় দফায় মানবদেহে পরীক্ষার ফল বলছে, আমেরিকায় ৭২ শতাংশ ক্ষেত্রে সেই টিকা ‘কার্যকর’ প্রমাণিত হয়েছে। তবে বিশ্বের তিন মহাদেশে জনসনের টিকার পরীক্ষায় সাফল্যের হার ৬০ শতাংশের বেশি। একইসঙ্গে জনসন অ্যান্ড জনসনের তরফে জানানো হয়েছিল, করোনার গুরুতর সংক্রমণ রুখতে তাঁদের টিকা ৮৫ শতাংশ কার্যকরী। এমনকী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম বা শারীরিক অন্য সমস্যা থাকলেও এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দু’টি টিকা দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.