নিউইয়র্ক: ইউএস ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন একের পর এক তারকা। স্বাভাবিকভাবেই যে টুর্নামেন্ট জৌলুষহীন হয়ে পড়ছে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। এবার রাফায়েল নাদাল, রজার ফেডেরারকে ছাড়া অনুষ্ঠিত হতে চলা ইউএস ওপেনকে ‘অনেকটাই মূল্যহীন’ বললেন বিশ্বের তিন নম্বর ডমিনিক থিয়েম।

আগামী ৩১ অগস্ট থেকে করোনা আবহে শুরু হচ্ছে ফ্লাশিং মেডো। চোটের কারণে টুর্নামেন্টে নেই সুইস টেনিস মায়েস্ত্রো রজার ফেডেরার। আর করোনাতঙ্কে দিনকয়েক আগে টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন স্প্যানিশ সুপারস্টার রাফায়েল নাদাল। দু’দশকেরও বেশি সময় বাদে ফেডেরার-নাদাল দু’জনকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম। যদিও জকোভিচ সম্ভবত খেলবেন বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু জকোভিচ যতোই খেলুন, ফেডেরার-নাদালকে ছাড়া অনেকটাই মূল্যহীন হয়ে যাবে ফ্লাশিং মেডো, মত অস্ট্রিয়ান থিয়েমের।

থিয়েম সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘আমার টুর্নামেন্ট ঘিরে অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। আমাদের সকলের জন্য একটা নতুন অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। গ্যালারিতে দর্শক থাকবে না। ছোট্ট একটা টিম শুধুমাত্র হোটেলে থেকেই সময় কাটাবে। তোমাকে মাথায় রাখতে হবে প্রথম সারির একাধিক প্লেয়ার কিন্তু টুর্নামেন্টে নেই। তাই তুমি যদি চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সঙ্গে তুলনা কর তাহলে ইউএস ওপেন কিন্তু বেশ মূল্যহীন মনে হচ্ছে।’ তবে এমন উপলব্ধির পরেও তিনি নিজে যে যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন বিশ্বের তিন নম্বর।

সাম্প্রতিক সময়ে গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড হারে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। স্বাভাবিকভাবেই ইউএস ওপেনে অংশগ্রহণ করা নিয়ে ভীতি কাজ করছে অ্যাথলিটদের মধ্যে। নাদাল ছাড়াও তাঁর স্বদেশী স্ট্যান ওয়ারিঙ্কা, আর্জেন্তিনার দেল পোত্রো কোভিড আতঙ্কে ইউএস ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করেছেন পয়লা নম্বর মহিলা প্লেয়ার অ্যাশলে বার্টি সহ প্রথম দশে থাকা একাধিক মহিলা প্লেয়ার। যুক্তরাষ্ট্র টেনিস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাথলিটদের সর্বোচ্চ স্তরে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তাতে মন গলছে না অ্যাথলিটদের।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার একাধিক টুইটে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন রাফা। গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের নিরিখে ফেডেরারকে স্পর্শ করা থেকে মাত্র একধাপ দূরে দাঁড়িয়েও নাদাল বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে পরিস্থিতি ভীষণই উদ্বেগজনক। কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি বিন্দুমাত্র নাগালের মধ্যে আসেনি। তাই এমন একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইচ্ছে না থাকলেও বাধ্য হয়েই নিতে হচ্ছে। অনেক চিন্তা-ভাবনার পর চলতি বছর ইউএস ওপেনে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি।’

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা