ওয়াশিংটন:  করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে ভুগছে গোটা বিশ্ব। মার্কিন মুলুকেও ভয়ঙ্কর অবস্থ। সেখানে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। সে দেশে মহামারীর চেহারা নিয়েছে করোনা। করোনা আতঙ্কে যখন ভুগছে দেশের মানুষ সেই সময় অত্যাধুনিক লেজার অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল আমেরিকা।

প্রথমবারের জন্যে মার্কিন নেভি একটি যুদ্ধ জাহাজ ‘ইউএসএস পোর্টল্যান্ড’ থেকে অত্যাধুনিক এই অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। সেই পরীক্ষার একটি প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর। যেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি ড্রোনকে টার্গেট করে ছোঁড়া হচ্ছে ভয়ঙ্কর লেজার রশ্মি। আর তা ছোঁড়ার মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস। যদিও ২০১৭ সালে পারস্য উপসাগরে মার্কিন জাহাজ ইউএসএস পোনস থেকে ৩০ কিলোওয়াট শক্তির লেজার অস্ত্র পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু এটি আরও অত্যাধুনিক বলে দাবি করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে লেফটেন্যান্ট কেল হিউজেস জানিয়েছেন, প্রবল হাওয়া কিংবা দূরত্ব এখন কোনওটাই বিষয় নয়। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে প্রবল মাত্রায় ফোটন নিক্ষেপ করা হয়, যা আলোর গতিতে আঘাত হানে শত্রুপক্ষের উপর। গত ১৬ মে ফের মার্কিন নৌবাহিনী এই ধরনের অস্ত্র পরীক্ষা করলো।

প্রতিবেদনে লেজার অস্ত্রের শক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু আর বলা হয়নি। তবে ২০১৮ সালে ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্ট্রাটেজেক স্টাডিজের এক প্রতিবেদনে তা দেড়’শ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বলা হয়েছিল বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম। পোর্টল্যান্ডের কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন ক্যারি স্যান্ডার্স বলেন, এই ধরনের লেজার অস্ত্র ড্রোন, অচেনা বস্তু ও ছোট খাট বিমান ধ্বংস করতে বিশেষভাবে সক্ষম। এই ধরনের সাফল্য মার্কিন নৌবাহিনীর নতুন সামর্থ্যের কথাই জানান দেয় বলে দাবি করেছেন ওই অফিসার।

অন্যদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এ লেজার অস্ত্রকে ড্রোন ছাড়াও ছোটখাটো নৌকার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

জানা যাচ্ছে, পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। সদ্য এই খবর প্রকাশ্যে এসেছে। ১৯৯২-এর পর এই প্রথমবার এমন পরীক্ষা করার কথা ভাবছে ওয়াশিংটন। সূত্রের খবর রাশিয়া ও চিনের হুমকির মুখেই নাকি এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এ প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিষয়ে নাকি ইতিমধ্যেই কথাবার্তা হয়েছে।

ওই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও দুই প্রাক্তন অফিসার জানিয়েছেন গত ১৫ মে এই বিষয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। মার্কিন আধিকারিকদের মতে, রাশিয়া ও চিন গোপনে কিছু কিছু টেস্ট করছে। আর সেইজন্য এমন পরিকল্পনা করছে হোহাইট হাউস। যদিও এমন দাবি উড়িয়ে দিয়েচে চিন ও রাশিয়া।

যদিও ওই বৈঠকে কোনও এগ্রিমেন্ট হয়নি। আর আলোচনা আগামিদিনেও চলবে কিনা সে ব্যাপারে কোনও যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দারিল কিমবল বলেন, এইভাবে এক অনভিপ্রেত পরমানু অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যেতে পারে। এর আগে রাশিয়াও অবশ্য এমন দাবি করেছিল। বলেছিল, আমেরিকার পরমাণু যুদ্ধের কথা ভাবছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প