ওয়াশিংটন: বড়সড় সিদ্ধান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। শনিবার অর্থাৎ পয়লা অগাষ্টের মধ্যে নিষিদ্ধ করা হতে পারে চিনা অ্যাপ টিকটক। শুক্রবার একথা জানিয়ে দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প এদিন জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেবে আমেরিকা।

এর আগে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সার্কুলার প্রকাশ করে। জানানো হয় চিনের বাইটডান্সকে নির্দেশ দেওয়া হবে টিকটক বিক্রি করে দেওয়ার জন্য। এও জানা গিয়েছেল যে মাইক্রোসফট টিকটক কিনে নিতে পারে। এই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই ট্রাম্পের বক্তব্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিন হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন আমেরিকা টিকটক ব্যান করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, খুব দ্রুত।

ব্লুমবার্গ নিউজ ও ওয়ালস্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বাইটডান্সকে শনিবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। শুক্রবার যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়, তাতে দেখা যায় মাইক্রোসফট কিনে নিতে চলেছে টিকটক। তবে সংস্থার পক্ষ থেকে এই রিপোর্ট ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরে টিকটকও একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়, কোনও জল্পনা বা গুজবের ওপর ভিত্তি করে কোনও মন্তব্য করতে ইচ্ছুক নয় তাঁরা। টিকটকের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের ওপর ভরসা রয়েছে সংস্থার।

জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকা জানিয়েছিল এক মাস অপেক্ষা নয়। সম্ভবত আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই টিকটক ব্যান করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সফর কালে একথা জানিয়ে ছিলেন হোয়াইট হাউস চিফ অফ স্টাফ মার্ক মিয়াডজ। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নিতে কোনও ডেডলাইনের প্রয়োজন নেই। নির্দিষ্ট টাইম ফ্রেমেরও দরকার পড়বে না। হোয়াইট হাউস এক মাস অপেক্ষা করতে চাইছে না। টিকটক ব্যান করতে এক সপ্তাহের সময়ই যথেষ্ট।

মিয়াডজ আরও জানান হোয়াইট হাউজের বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক প্রধান এই বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন। জাতীয় সুরক্ষা ও তথ্যের নিরাপত্তার প্রশ্ন এতে জড়িয়ে। ফলে সিদ্ধান্ত নিতে বেশি দেরি করা হবে না। টিকটক, উইচ্যাটের মত চিনা অ্যাপ বাতিল বলে ঘোষণা করা সময়ের অপেক্ষা।

এর আগে, স্টেট সেক্রেটারি মাইক পম্পেও জানান ভাবনা চিন্তা চলছে। খুব দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ওয়াশিংটন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন বলে জানানো হয়েছে। পম্পেও জানান, খুব দ্রুত অ্যাপ নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ