রাষ্ট্রসংঘ: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘরে বাইরে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। তাঁর বিদেশনীতি নিয়ে সরকারের অভ্যন্তরেই প্রবল অসন্তোষ। তেমনি আন্তর্জাতিকস্তরেও খাচ্ছেন ধাক্কা। ইরানের বিরুদ্ধে সবরকম নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আবেদন এবার সর্বাধিক বিরোধিতার মুখে পড়ল।

রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ১৩ সদস্য দেশ একযোগে বিরোধীরে হয়েছে। রয়টার্সের খবর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ডমিনিকান রিপাবলিক ছাড়া নিরাপত্তা পরিষদের বাকি ১৩টি স্থায়ী অস্থায়ী দেশ পরিষদের সভাপতির কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে বিরোধিতা করল। এমন অভূতপূর্ব ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ঘটেনি।

এরফলে আরও বিড়ম্বনায় ট্রাম্পের সরকার। প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই বিদেশনীতি নিয়ে ট্রাম্পের অতি দূর্বল অবস্থানে বিরক্ত। প্রকাশ্যেই তাঁরা বিরোধী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডেমোক্র্যাট দলের বাইডেন কে সমর্থন করছেন। রয়টার্স জানাচ্ছে, ইরানের বিরুদ্ধে সব নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের জন্য রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা

পরিষদে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিয়েছেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সভাপতি ইন্দোনেশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধির কাছে এই আবেদনপত্র হস্তান্তর করেন তিনি।

এর পরেই নিরাপত্তা পরিষদের বেশিরভাগ দেশ তাদের বিরোধিতার কথা ঘোষণা করে। ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও জার্মানি আলাদা চিঠি দিয়ে মার্কিন সরকারের প্রস্তাবের ঘোর বিরোধিতা করেছে।

নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম দুই সদস্য চিন, রাশিয়া বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আবেদন জানানোর কোনও অধিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেই। আল জাজিরা জানাচ্ছে, পরমাণু সমঝোতার ভিত্তিতে অক্টোবর মাসেই অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাচ্ছে ইরান। এর ফলে তারা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্ত্র কেনাবেচা করতে পারবে। ট্রাম্প সেটা আটকে দিতে মরিয়া। ফের নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চান। কিন্তু এবার সেই চেষ্টা বিফলে গেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।