ওয়াশিংটন: ভারতের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন যে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।ভারতকে সবরকম সাহায্যের চেষ্টা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এক বিবৃতিতে ব্লিংকেন বলেন, মারণ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ভারতের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখে আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত। আমাদের সহযোগী দেশ ভারতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে আমরা যোগাযোগ রেখেছি। আমরা খুব দ্রুত ভারত এবং ভারতের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য যথাসম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করছি।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা জেক সুলিভান বলেন যে, আমেরিকা ভারতকে সাহায্যের জন্য চব্বিশ ঘন্টা কাজ করছে।ভারতে যেভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব উদ্বিগ্ন। আমরা আমাদের বন্ধু দেশ ভারতের জন্যে সবরকম সাহায্য করব এবং মেডিক্যাল সরঞ্জাম, জীবনদায়ী ওষুধ থেকে ভ্যাকসিন দ্রুত সরবরাহের কাজ করব।

ইউএস চেম্বারস অফ কমার্সসহ বিভিন্ন মহল থেকেই চাপ বাড়ছে বাইডেন প্রশাসনের ওপর। ইউএস চেম্বার অফ কমার্সের কার্যনির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইরন ব্রিলিয়ান্ট জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতিতে বিশ্বের কয়েকটি দেশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এই পরিস্থিতিতে ভারত, ব্রাজিলের মতো দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের ডোজ এবং অন্যান্য জীবনদায়ী ওষুধ রফতানির ব্যবস্থা করতে প্রশাসনকে অনুরোধ করছে মার্কিন চেম্বার অফ কমার্স।

বিশ্বব্যাপী সহায়তা চেয়ে সম্প্রতি একটি বিবৃতি জারি করে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এরপরই মার্কিন চেম্বারস অফ কমার্সের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, কঠিন এই পরিস্থিতিতে রফতানি নিশ্চিতের চেষ্টা করা হবে।যদিও আমেরিকার তরফে সাফ জানানো হয়েছিল, দেশের সবাইকে টিকা দিয়ে তবেই ভারতে টিকার কাঁচামাল রফতানি করবে তারা।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৯১ জন। একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৭৬৭ জনের। বেলাগাম সংক্রমণ গোটা দেশে। সব মিলিয়ে রবিবার পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ৬০ হাজার ১৭২।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.