ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর চু্ক্তি হয়েছিল উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে। এরপর থেকে কিছুটা থমকে ছোলেন কিম জং উন। তবে, এবার ফের মিলিটারি প্যারেডে নতুন মিসাইল প্রদর্শন করায় হতাশ আমেরিকা।

আমেরিকার তরফে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার এইভাবে মিসাইল প্রদর্শন করার ঘটনা হতাশাজনক।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি লিকুইড ফুয়েল মিসাইল হিসেবে বিশ্বে সবথেকে বড়। এতে একাধিক ওয়ারহেড বহন করা যাবে বলে জানা গিয়েছে।

শনিবার কমিউনিস্ট দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে মিলিটারি প্যারেডে বিশালাকার মিসাইলের প্রদর্শন করে উত্তর কোরিয়া। বিশ্লেষকদের মতে, দৈত্যাকার হাতিয়ারটি হচ্ছে ‘ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল’ বা আন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র।

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর দাপটের মধ্যেই শনিবার কিম ইল সুং স্কোয়ারে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেন হাজার হাজার সৈনিক। মঞ্চে দাঁড়িয়ে কুচকাওয়াজ দেখেন দেশের একনায়ক কিম জং উন। সেখানেই একটি বিশাল সামরিক ট্রাকে করে মিসাইলটি প্রদর্শন করা হয়।

মার্কিন বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই অত্যাধুনিক ট্রাক বা মিসাইল লঞ্চার থেকেই আণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম মিসাইলটি যে কোনও জায়গায় নিয়ে ছোঁড়া যায়। শুধু তাই নয়, অত বড় আন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বিশ্বে আর নেই।

২০১৭ সালে এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে উত্তর কোরিয়া। সেই ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার যে কোনও স্থানে আঘাত হানতে পারে। এদিন কিম জং উন সমবেত জনতাকে বলেন, আমরা আত্মরক্ষার জন্য নিজেদের সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলব। গতবছর কিম বলেছিলেন, তাঁরা একটি নতুন অস্ত্র বানিয়েছেন। সেই অস্ত্র তাঁরা সকলকে দেখাবেন। এদিন যে ‘জায়ান্ট ইন্টার কন্টিনেন্টাল মিসাইল’ প্রদর্শন করা হয়েছে, কিম তার কথাই বলেছিলেন বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

এদিকে, আণবিক ক্ষেপণাস্ত্রকে কূটনীতির অমোঘ হাতিয়ার হিসেবে বহুদিন ধরেই ব্যবহার করে আসছেন কিম। উত্তর কোরিয়া যাতে আর পরমাণু অস্ত্র না বানায়, সেজন্য তাদের অনুরোধ করেছিল আমেরিকা। গতবছর হ্যানয়ে দুই দেশের শীর্ষ বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেই বৈঠক ব্যর্থ হয়। আমেরিকা তার পরেও কূটনৈতিক পথে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। এবার নয়া মিসাইল প্রদর্শন করে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার মঞ্চে নিজের অবস্থান মজবুত করার চেষ্টা করছেন কৌশলি কিম বলেই ধারণা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.