ওয়াশিংটন: লাইন-অফ-অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে ভারত ও চিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কড়া সমালোচনা করেছেন উচ্চপদস্থ এক মার্কিন নেতা। পিপলস লিবারেশন আর্মি’র আগ্রাসনের ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শুধু তাই নয়, সেনা মোতায়েন করে সীমান্ত কবজা করতে চাইছে লাল চিন, এমন দাবি জানিয়েছেন ফ্রাঙ্ক পালোন। “ভারতের ভুখণ্ডে চিন সেনার কার্যকলাপ এবং জুনের ১৫ তারিখ ভারত-চিন সংঘাতের তীব্র নিন্দা জানাই”, শুক্রবার ঠিক এই ভাষাতেই সমালোচনা করেছেন পালোন।

১৯৬২ সাল থেকেই ভারত-চিন ২১০০ মাইল লম্বা লাইন-অফ-অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে বিভক্ত হয়েছে। সীমান্তে ৫০০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চিন। এর থেকেই পরিষ্কার হয় যে, জোর এবং আগ্রাসন দেখিয়ে আবারও তা ঠিক করার চেষ্টা চালাবে চিন”।

গালওয়ানে সংঘর্ষের পর থেকে একাধিকবার মুখোমুখি হয়েছে। শান্তি ফেরাতে এবং সেনা সরানোর জন্যই মূলত আলোচনায় বসেছে দুই শক্তিশালী দুই দেশ। তবে এখনও সেখানে সেনা মোতায়েন করছে চিন।

প্রথমধাপে ফ্রন্টলাইন অবস্থান থেকে সেনা সরানোর কাজ হবে। পরবর্তীস্তরে অতিরিক্ত সেনা এবং সামরিক শক্তি, অস্ত্রসস্ত্র সরিয়ে নেবে চিন। সীমান্ত হোক বা অর্থনৈতিক সংঘাত, চিন-ভারত দ্বন্দ্বের আবহে শুরু থেকেই ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে করোনা মহামারীর বিষয়েও একাধিকবার চিনকে একাধিকবার কাঠগড়ায় তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  দেখা যাচ্ছে চিন-ভারত সংঘাতের আবহে ভারতের পাশেই দাঁড়াছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিংহভাগ মানুষ।

লাইন অফ কন্ট্রোলে পিপি-১৪ থেকে শেষ অবধি সবকটি পেট্রোল পয়েন্ট ভারতের, তেমনটাই দাবি জানিয়েছে ভারত তবে তাঁরা ক্যাম্প তৈরি করেনি ভারত কারণ সেভাবেই চুক্তিবদ্ধ দুই দেশ। তবে যেহেতু চিনের তরফে ওখানেই তাঁবু খাটিয়েছে তাই নিজেদের রক্ষা করতে ভারতীয় সেনার তরফেও একই কাজ করা হয়েছে। জুনের ১৫ তারিখ ভারত-চিন পিপি-১৪-এ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লেগেছিল। ভারতীয় সেনার ২০ জন সেখানেই শহিদ হয়েছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ