মস্কো: কিউবার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে সদতের যে অভিযোগ আমেরিকা তুলেছে তা একেবারে মিথ্যা বলে জানিয়েছেন রাশিয়া। রুশ বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা শুক্রবার মস্কোয় এক সংবাদিক সম্মেলনে হাভানার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের করা অভিযোগটিকে উড়িয়ে দিয়েছেন ।

সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থক দেশগুলির তালিকায় কিউবাকে অন্তর্ভুক্ত করার মার্কিন সিদ্ধান্তকে একেবারে ভুল পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়েছেন জাখারোভা। তিনি জানান , মার্কিন সরকার বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে নিজের বিদেশনীতি নির্ধারণ করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

মার্কিন সরকার দু’দিন আগে সন্ত্রাসবাদে সমর্থক দেশগুলোর তালিকায় কিউবার নাম অন্তর্ভুক্ত করে। মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও এ সম্পর্কে জানিয়েছেন, বিদেশনীতি অত্যন্ত জটিল; কিন্তু তাই বলে আমেরিকার তার মূলনীতি থেকে সরে আসতে পারে না।

আমেরিকার আগ্রাসী ও হস্তক্ষেপকামী নীতির বিরোধিতা করার কারণে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ কিউবা গত অর্ধ শতাব্দির বেশি সময় ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মোকাবিলা করে আসছে। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ ক্যানেল তাঁর দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকার সাম্প্রতিক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেন এবং এ ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদের প্রতি মার্কিন সরকারের দ্বৈত নীতির ফল বলে বর্ণনা করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.