ওয়াশিংটন : ভারত চিন দ্বৈরথ বিশ্ব শান্তি ও স্থিতাবস্থার জন্য উপযুক্ত নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় না এই টানাপোড়েন ও ঠান্ডা লড়াই বাড়ুক। তবে আমেরিকা গোটা বিষয়টি খুব সন্তর্পণে ও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। এমনই মত ওয়াশিংটন ডিসির এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের।

এদিন ওই আধিকারিক জানান, মার্কিন প্রশাসন হিমালয়ের রাজনীতির উত্থান পতন নজরে রেখেছে। যাতে বিষয়টি না বাড়ে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, সেই দিকেও নজর রেখেছে আমেরিকা। তিনি বলেন বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে আমেরিকা ভারতকে সাহায্য করতে পারে বা পরামর্শ দিতে পারে। সেই আলোচনা করার জন্। সব সময়ই তৈরি রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য, চিনের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াইয়ের মাঝেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। আগামী সপ্তাহেই দেশে আসছেন তিনি। ২৬ ও ২৭শে অক্টোবর নয়াদিল্লিতে দুই দেশের মধ্যেই পারস্পরিক চুক্তি সম্পর্কিত একাধিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈঠকে হতে চলেছে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক স্তরে। বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোঅপারেশন এগ্রিমেন্টের আওতায় এই চুক্তি হবে বলে সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য চিনের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াইয়ের মাঝেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। আগামী সপ্তাহেই দেশে আসছেন তিনি। ২৬ ও ২৭শে অক্টোবর নয়াদিল্লিতে দুই দেশের মধ্যেই পারস্পরিক চুক্তি সম্পর্কিত একাধিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, বিশেষ এক পরিকল্পনা নিয়েই আপাতত ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার ও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। সেই বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে উপগ্রহ তথ্য নেবে ভারত। সেই লক্ষ্যেই কথা হতে চলেছে দুই দেশের মধ্যে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল অস্ত্র রফতানির হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। মার্ক এস্পার জানান সমমনস্ক দেশগুলিকে অস্ত্র সরবরাহ বাড়ানোর কথা জানানো হবে। আমেরিকা অস্ত্র রফতানির হার বাড়াতে চায়। চিন ও রাশিয়ার শত্রু দেশগুলিকে আরও অস্ত্রের সম্ভার বাড়াতে হবে বলে এদিন জানিয়েছে এস্পার।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।