ওয়াশিংটন: বইটার নাম দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড (যে ঘরে এসব ঘটেছে)। বইতে লেখা আছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২০-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যাতে জিততে পারেন তার জন্য চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাহায্য চেয়েছিলেন। আইনি চাপ কাটিয়ে মার্কিন মুলুক সহ আন্তর্জাতিক বাজারে এটি বেরোচ্ছে ২৩শে জুন।

বইয়ের লেখক জন বোল্টন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে মতান্তরের ফলে পদত্যাগ করেন। জন বোল্টনের লেখা বইটির আনুষ্ঠনিক প্রকাশ আটকের দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে অনুরোধ করেছিলেন, সেই আবেদন এক বিচারক প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর। এদিকে মার্কিন মুলুকে প্রবল আলোড়ন।

বইটি প্রকাশের পরেই বিতর্কে এবং বিপাকে পড়তে চলেছেন ট্রাম্প। এমনই মনে করা হচ্ছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, আমেরিকার বিচার বিভাগের যুক্তি ছিল বইটিতে যেসব বিষয় রয়েছে তা ছাপানোর আগে যথাযথভাবে যাচাই করে দেখা হয়নি। তবে এই বইয়ে জন বোল্টন যেসব দাবি করেছেন তার বেশিরভাগেরই ভিত্তি ব্যক্তিগত কথাবার্তা। ফলে সেগুলো যাচাই করা অসম্ভব।

এমনই দিকটি গুরুত্ব পেয়েছে আদালতে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বইতে লেখা বোল্টনের দাবি নস্যাৎ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন এই বই ”মিথ্যা কাহিনি এবং আষাঢ়ে গল্পে ভরা”।

কী রয়েছে বইটিতে ?

বিবিসি জানাচ্ছে, বইয়ে যেসব অভিযোগ বা দাবি রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: ”প্রেসিডেন্ট কৃষকদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন এবং নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করতে চিনে সয়াবিন এবং গমের বিক্রি বাড়িয়ে দিয়েছেন”। ট্রাম্প বলেছেন শিনজিয়াং এলাকায় মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বন্দি শিবিরে আটকে রাখার চিনা ”সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল”।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানতেন না ব্রিটেন পরমাণু শক্তিধর দেশ এবং একবার তার ঊর্ধ্বতন একজন সহযোগীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অংশ কিনা। এমন ধারা অভিযোগ নিয়ে লেখা বইটির কিছু অংশ সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তাতেই বিতর্ক চরমে ওঠে।

বিভিন্ন মার্কিন সংবাদপত্রের রিপোর্ট, করোনা সংক্রমণের চরমতম বিপদ ও ভয়াবহ মৃত্যুর জন্য চিন দায়ী, বারবার ট্রাম্পের এমন অবস্থানের কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রবল উত্তপ্ত। এর মাঝে যেভাবে একটার পর একটা দাবি রেখেছেন প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, তা চাঞ্চল্যকর। আপাতত বইটির দিকে তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।