ওয়াশিংটন: শুধু মার্কিন মুলুকই পাবে আর কেউ না। অনেকটা এমন মনোভাব দেখিয়ে করোনার কার্যকরী ওষুধ রেমডিসিভিরের আগামী সব স্টক কিনে নেওয়ার নির্দেশ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এর জেরে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের কেন্দ্রে তিনি। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত পরীক্ষিত ওষুধ রেমডিসিভির। প্রমাণিত যে এই ওষুধ ব্যবহার করে কোভিড-১৯ রোগ থেকে দ্রুত সেরে ওঠা যায়। ওষুধটির চাহিদা প্রবল।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, রেমডেসিভির ওষুধটির পেটেন্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গিলিয়াড সায়ন্সেস।

ট্রাম্প সরকার গিলিয়াডের কাছ থেকে ৫ লক্ষ ডোজ পরিমান রেমডিসিভির কেনার একটি চুক্তি করেছে। ফলে জুলাই মাসে তৈরি ওষুধের ১০০ শতাংশ, অগস্টের ৯০ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরের ৯০ শতাংশ কিনে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

বিতর্ক এখানেই। কেন একাই সব কিনল মার্কিন সরকার উঠছে প্রশ্ন। আল জাজিরার খবর, এই ওষুধটি প্রথমে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। পরে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটি কার্যকরী বলে চিহ্নিত।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে যেভাবে বংশবৃদ্ধি করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে তা ক্ষতিগ্রস্ত করে, সেই হামলা রুখতে কিছুটা কার্যকরী রেমডিসিভির।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিনই বেড়ে চলছে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। শীর্ষ সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অ্যান্থনি ফসিরের দাবি, করোনায় আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা প্রতিদিন এক লক্ষ হলেও অবাক হওয়ার কিছু নাই।

করোনার ওষুধ হিসেবে এবার রেমডেসিভির-কে অনুমোদন দিয়েছিল জাপান সরকার। জাপানের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, শুধমাত্র সঙ্কটজনক করোনা আক্রান্ত রোগীকেই বিশেষ এই ওষুধ দেওয়া যাবে। করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে বিশ্বের একাধিক দেশের বিজ্ঞানী-গবেষকরা মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েকটি দেশ ভ্যাকসিন তৈরির পথে অনেকটাই এগিয়েছে।

রেমডেসিভির ওষুধটি একটি মার্কিন সংস্থার তৈরি। আমেরিকায় করোনা রুখতে ইতিমধ্যেই এই ওষুধ ব্যবহার করা শুরু হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনার সংক্রমণ রুখতে এই ওষুধটির কার্যকারিতার প্রমাণও মিলেছে বলে দাবি। আমেরিকার দাবি, রেমডেসিভির ব্যবহারে তিনটি পর্যায়েই ট্রায়াল সফল হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ