ওয়াশিংটন: ভারতকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির প্রসঙ্গে মুখ খুলল মার্কিন প্রশাসন। বাইডেন প্রশাসন জানিয়েছে, ভারতকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি ভারতের সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্বের নিশ্চিত করার আমেরিকার প্রতিশ্রুতিকেই নির্দেশ করে।

একটি সাংবাদিক সম্মেলনে আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র নেড প্রাইস জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রতিরক্ষা অস্ত্র ভারতকে বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। যা ভারতের সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষার প্রতি আমেরিকার প্রতিশ্রুতিকে নির্দেশ করে।

আরও খবর – মহাকাশ গবেষণায় বিশ্বের অন্যতম সেরা দেশ ভারত, কেন জানেন?

সম্প্রতি একটি স্বাক্ষাৎকারে আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত তরনজিৎ সিং সন্ধু জানিয়েছিলেন, দ্বিপাক্ষিক সামরিক ও সুরক্ষা সম্পর্ক এই মুহূর্তে আগের চেয়ে অনেক বেশি দৃঢ়। অন্যদিকে কদিন আগেই ভারতীয় উপমহাদেশে ভারতকে তাঁদের অন্যতম গুরত্বপূর্ণ সঙ্গী বলে মন্তব্য করেছিল ওয়াশিংটন।

উল্লেখ্য, প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বেশ কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। বাইডেন হোয়াইট হাউসে আসার পরে ওয়াশিংটন প্রথম প্রতিক্রিয়াতে জানায় ভারত বিশ্বের অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় শক্তি হিসেবে উঠে আসছে। এই প্রতিক্রিয়াকে আপাতত ইতিবাচক হিসেবেই দেখা হচ্ছে ভারতের তরফে।

চলতি মাসে কথা হয় দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও। শান্তি রক্ষা, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা,ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পারস্পরিক সহযোগিতা, জঙ্গি দমন ইত্যাদি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে কথা হয় ব্লিঙ্কেন-জয়শঙ্করের মধ্যে।

আরও খবর- জরুরি অবস্থার ভুল স্বীকার করে নিয়ে রাহুল ভারতীয় গণতন্ত্রের ‘চ্যালেঞ্জ’ বোঝালেন

অন্যদিকে সম্প্রতি বাইডেন সরকার এমন একটি বক্তব্য রেখেছে যাতে খুশি ইমরানের পাকিস্তানও। ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছে ওয়াশিংটন। নেড প্রাইস জানিয়েছেন, আমেরিকা ভারতের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় তবে একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে সুসম্পর্কও তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসনের ভারতের সাথে সুসম্পর্ক থাকার অর্থ এই নয় যে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক খারাপ হবে। পাকিস্তান, ভারত ও আফগানিস্তান সীমান্ত সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এই উত্তর দেন নেড।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।