নয়াদিল্লি: একদিকে চিনের সঙ্গে সংঘাত। এরই মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতকে সমর্থন জুগিয়েছে আমেরিকা। এর মধ্যেই ভারতের স্ট্র্যাটেজিক এয়ারবেসে দেখা গেল আমেরিকার বিমান। মার্কিন নেভির বিমান এসে নামল আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বিমান ঘাঁটিতে। আর তা নিয়েই শুরু হয় জোর জল্পনা।

আমেরিকার একটি পি-৮ পোজেইডন এয়ারক্রাফট নামানো হয় আন্দামানে। ওই বিমানে ছিল মিসাইল, র‍্যাডার। এমনকি শত্‌রুপক্ষকে আঘাত করার জন্য রকেটও ছিল মজুত। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য পোর্ট ব্লেয়ারে নামে সেই এয়ারক্রাফট।

জানা গিয়ে রিফুয়েলিং-এর জন্য এই বিমান নামানো হয়। এক বিশেষ চুক্তি অনুযায়ী, ভারত ও আমেরিকা একে অপরকে লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। আর সেই চুক্তি অনুযায়ী, এই রিফুয়েলিং চলছিল বলে জানা গিয়েছে।

একে অপরের যুদ্ধজাহাজে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ। ২০১৬ সালে সেই চুক্তি হয়। তবে এই প্রথমবার কোনও মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দেখা গেল আন্দামানে।

‘লজিস্টিক এক্সচেঞ্জ মেমোরান্ডাম চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ ও এয়ারক্রাফট আমেরিকার একাধিক বেসেও একই রকম সুবিধা পাবে।

উল্লেখ্য, গত জুলাইতে চিনকে বার্তা দিতে বঙ্গোপসাগরে একসঙ্গে মহড়া চালিয়েছে ভারত ও আমেরিকা।

অন্যদিকে, ২০০৯ সাল থেকে এই দক্ষিণ চিন সাগরে দ্রুত প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে চিন। দুনিয়া সবচেয়ে ব্যাস্ত এই সমুদ্রপথে চিনের প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে খাস আমেরিকাও। ইতিমধ্যেই এই অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করেছে বেজিং। পাশাপাশি রয়েছে অনেক মিলিটারি সরঞ্জামও।

জানা যাচ্ছে, গত ১৫ জুন গালওয়ানে ২০ জওয়ান শহিদ হওয়ার পর দক্ষিণ চিন সাগরে একটি শক্তিশালী রণতরী মোতায়েন করেছে ভারত। ওই অঞ্চলে ভারত-সহ অন্যান্য দেশের উপস্থিতি নিয়ে বরাবরই আপত্তি করে আসছে চিন। ভারত-চিন বৈঠকেও এই বিষয়ে আভিযোগ জানিয়েছে চিন। তাই শত্রুপক্ষকে মুখের উপর জবাব দিয়েই যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে ভারত।ৱ

এই দক্ষিণ চিন সাগরে ইতিমধ্যেই রণতরী মোতায়েন করেছে আমেরিকা। এবার ভারত সেই তালিকায় যুক্ত হওয়ায় চাপে পড়ে গেল চিন। গোটা বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গেই করেছে ভারত। সেখানে প্রতিনিয়ত মার্কিন নেভির সঙ্গে যোগাযোগও রাখছে নৌবাহিনী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।