নয়াদিল্লি : করোনার বিরুদ্ধে ভারতকে লড়তে সাহায্য করছে বাইডেনের আমেরিকা। প্রথম ঢেউয়ের সময় ভারত প্রচুর হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পাঠিয়েছিল আমেরিকাকে। তখন ট্রাম্পের সরকার ছিল পরে যখনই দরকার পড়েছে ভারত আমেরিকাকে সাহায্য করেছে করোনা যুদ্ধে লড়ার জন্য। দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারত বিপন্ন। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা।

করোনা যুদ্ধে লড়ার জন্য প্রচুর সামগ্রী এসে পৌঁছেছে ভারতে। এই নিয়ে দ্বিতীয় বিমান এল ভারতে। আগামী সপ্তাহে এমন আরও কয়েকটি মার্কিন বিমান করোনার যুদ্ধ সামগ্রী নিয়ে এসে পৌঁছবে ভারতে। এয়ারক্রাফট সি ১৭ গ্লোবমাস্টার নামের ওই বিমান ভারতে সাহায্য নিয়ে এসে পৌঁছেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার ট্রাভিস এয়ার ফোর্স বেস থেকে করোনা যুদ্ধ সামগ্রী নিয়ে দিল্লিতে পা রাখে।

এই বিমানে ভারতকে অক্সিজেন সাপোর্ট, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, অক্সিজেন জেনারেশন ইউনিট, পিপিই, ভ্যাকসিন ম্যানুফেকচারিং সাপ্লাই, রাপিড ডায়গনেস্টিক টেস্ট, থেরাপিউটিক্স এবং পাবলিক হেলথ আসিস্টেন্স পাঠিয়েছে আমেরিক। মার্কিন সাহায্যের প্রথম বিমানে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের কোভিড মোকাবিলা সামগ্রী পাঠানো হয়েছিল।

মার্কিন বিদেশ উন্নয়ন এজেন্সির জানিয়েছিল প্রথম বিমানে ৪৪০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও রেগুলেটর ছিল, ছিল ৯ লক্ষ ৬০ হাজার র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট কিট। পাঠানো হয়েছিল এক লক্ষ N-95 মাস্ক। করোনাকালের শুরু থেকে প্রায় ২৩ মিলিয়ন ডলার সাহায্য করেছে মার্কিন বিদেশ উন্নয়ন এজেন্সি। উপকৃত হয়েছিল ১০ মিলিয়ন ভারতীয়।

কাজ করছে ভারতীয় বিমান বাহিনীও। বিভিন্ন দেশ থেকে সাহায্য তুলে নিয়ে আসছে ভারতে। আইএএফ সি১৭ বিমান তিনটে অক্সিজেন কন্টেনার নিয়ে আসে সিঙ্গাপুর থেকে পানাগড়ে। ৬টি এমন কন্টেনার এসে পৌঁছায় দুবাই থেকে। ব্যাংকক থেকেও এমন তিনটি কন্টেনার আসছে পানাগড়ে।

সি ১৭ বিমান ২টি ক্রায়োজেনিক অক্সিজেন কন্টেনার পৌঁছে দিয়েছে চন্ডীগড় থেকে ভুবনেশ্বরে। চারটি গিয়েছে হিন্দন থেকে রাঁচি, মুম্বই থেকেও ভুবনেশ্বরে গিয়েছে চারটি, চন্ডীগড় থেকে রাঁচি গিয়েছে দুটি, ইন্দোর থেকে জামনগর গিয়েছে একটি, দুটি করে এমন কন্টেনার রাঁচি পৌঁছেছে লখনৌ ও ভোপাল থেকে, যোধপুর থেকে জামনগর পৌঁছে গিয়েছে আরও দুটি আইএএফের এই সি ১৭ বিমানের মাধ্যমে। একইভাবে কাজ করছে আইএএফের সি ১৩০ বিমান। নেভি মেডিকেল টিম নিয়ে যাওয়া হয়েছে মুম্বই থেকে আহমেদাবাদে। বরোদা থেকে হিন্দন গিয়েছে ৭৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.