ওয়াশিংটন: ফাইজার, মডার্নার পর এবার জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনার ভ্যাক্সিনকেও মান্যতা দিলেন মার্কিন পরামর্শদাতা। করোনা মোকাবিলায় জনসনের তৈরি ভ্যাক্সিন দারুণভাবে কাজে দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন ওই মার্কিন প্রশাসনিক কর্তা। তাঁর কথায়,, জনসনের তৈরি ভ্যাক্সিন সংকটনজক করোনা রোগীকে প্রয়োগ করলেও ভালো সাড়া মিলছে। এই ভ্যাক্সিন করোনায় মৃত্যুহার কমাতে সক্ষম বলে দাবি তাঁর।

মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে অভূতপূর্ব সাড়া মেলায় খুশি জনসন অ্যান্ড জনসন সংস্থাটি। ইতিমধ্যেই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। মার্চের শেষে করোনা টিকার ২০  মিলিয়ন ডোজ সরবরাহ করতে পারবে তাঁরা। ইতিমধ্যেই আমেরিকার ৪৭ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ কমপক্ষে করোনা টিকার একটি ডোজ পেয়েছেন। জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাক্সিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ল্যাটিন আমেরিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকায় পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। শুক্রবার মার্কিন স্বাস্থ্য পরামর্শদাতারা জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনা ভ্যাক্সিনকে মান্যতা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, এই ভ্যাক্সিনটি মহামারী মোকাবিলায় দেশকে বিকল্প পথ দেখাবে।

আমেরিকার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের প্রধান এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাক্সিনটিকে তৃতীয় টিকা হিসেবে জরুরি ভিত্তিতে দেশে প্রয়োগের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হবে। দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণে গতি বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে টিকাকরণ কর্মসূচি।

করোনার নয়া স্ট্রেনের হামলায় আমেরিকার আরও মানুষের মৃত্যুর আগেই জরুরি ভিত্তিতে এই ভ্যাক্সিনটির ছাড়পত্র মেলা প্রয়োজন বলে মনে করছেন মার্কিন প্রশাসনের কর্তারা। আগেই জনসন অ্যান্ড জনসনের তরফে দাবি করা হয়েছিল, তাদের তৈরি একটি মাত্র টিকা প্রয়োগ করলেই মানবদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধী ক্ষমতা গড়ে উঠবে। তৃতীয় দফায় মানবদেহে পরীক্ষার ফল বলছে, আমেরিকায় ৭২ শতাংশ ক্ষেত্রে সেই টিকা ‘কার্যকর’ প্রমাণিত হয়েছে। তবে বিশ্বের তিন মহাদেশে জনসনের টিকার পরীক্ষায় সাফল্যের হার ৬০ শতাংশের বেশি।

একইসঙ্গে জনসন অ্যান্ড জনসনের তরফে জানানো হয়েছিল, করোনার গুরুতর সংক্রমণ রুখতে তাঁদের টিকা ৮৫ শতাংশ কার্যকরী। এমনকী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম বা শারীরিক অন্য সমস্যা থাকলেও এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দু’টি টিকা দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। আমেরিকায় এর আগেই ফাইজার, মডার্নার টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে। তবে করোনার নয়া স্ট্রেন চোখ রাঙাচ্ছে সে দেশেও। টিকাকরণ প্রক্রিয়ায় গতি আনতে তৎপর মার্কিন প্রশাসনের কর্তারা। এবার জরুরি ভিত্তিতে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকাকে ছাড়পত্র দিতে চলেছে আমেরিকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।