নয়াদিল্লিঃ করোনা অতিমারীর দ্বিতীয় তরঙ্গের মধ্যে যখন গোটা দেশের চিকিৎসকরা দিনরাত এক করে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে চলেছেন, তখন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের (AIIMS) আবাসিক চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশন অভিযোগ করল প্রশিক্ষণ নিতে আসা ৬৫ জন বিদেশী চিকিৎসক তাঁদের বেতন বিগত এক বছর ধরে পায়নি। যার মধ্যে রয়েছে নেপাল থেকে আসা চিকিৎসকরাও।

এই মর্মে আরডিএ প্রধান নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠি লিখেছে, যাতে তাঁকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তিনি ২০১৮ সালের মে মাসে সুনিশ্চিত করেছিলেন যে, নেপাল থেকে আসা প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের স্টাইপেন্ড না পাওয়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা হবে। তারা আরও বলেছে যে, সেই সময় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে MOHFW-কে জানানো হয়েছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশ অতিদ্রুত কার্যকরী করতে। তাও এখনও পর্যন্ত একই সমস্যা বিদ্যমান।

১৫১ জন নেপালী চিকিৎসকদের মধ্যে দিল্লি এইমসে প্রশিক্ষণরত এই ৬৫ জন তাঁদের বেতন পায়নি। “এইমস নয়াদিল্লিতে এই ৬৫ জন বিদেশী চিকৎসক, করোনার মধ্যে নিয়মিত ক্লিনিকাল দায়িত্ব ২০২০ সালের মার্চ থেকে পালন করছেন। এমনকি তারা নিজের জীবন দিয়েও এই দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের একদমই বেতন দেওয়া হচ্ছে না। স্পষ্ট নির্দেশাবলী থাকা সত্তেও তাঁরা তাঁদের বেতন পায়নি’।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে আরও বলা হয়, “এমনকি স্নাতক এবং ইন্টার্ন স্নাতকদেরও সম্মান দেওয়া হচ্ছে না। যদিও সভ্য বিশ্বের সর্বত্র, স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন পেশাদারের দায়িত্ব ও বাকিদের দায়িত্বের মধ্যে কোনও পার্থক্য করার অনুমতি নেই, তা সত্ত্বেও শুধুমাত্র এই বিদেশি চিকিৎসকদের বেতন দেওয়া হয়নি।’

প্রসঙ্গত, গত বছর দেশে মারণ ভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কা থেকে চিকিৎসকরা যেখানে নিরলসভাবে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে চলেছেন। এমনকি মারণ ভাইরাসের করাল গ্রাসে এসে তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে প্রাণও হারিয়েছেন এবং যেখানে চিকিৎসকদের প্রথম সারিতে করোনা যোদ্ধার সন্মান দিয়ে নানান শুভেচ্ছা বার্তাও পাঠানো হচ্ছে, সেখানে এমনভাবে গত বছর থেকেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে চলা বিদেশি চিকিৎসকদের বেতন না দেওয়ার বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.