প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: আজ থেকে চার বছর আগে সেই দিনটাও ছিল ১৮ সেপ্টেম্বর। সালটা ২০১৬। জম্মু ও কাশ্মীরের উরিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেড সদর দফতরে হামলা চালিয়েছিল ৪ জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। ভোর সাড়ে ৫ টা নাগাদ যখন বেশিরভাগ জওয়ান তাঁবুতে ঘুমাচ্ছিল সেই সময় হামলা চালায় জঙ্গিরা।

ব্যাপার বুঝে বাহিনীর জওয়ানেরাও পালটা জবাব দেয়। ৬ ঘন্টা গুলির লড়াইয়ে ৪ জঙ্গিকে খতম করা হয়, কিন্তু শহিদ হন ১৯ জন ভারতীয় জওয়ান। পুরো দেশ এই ঘটনায় জইশ ও পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে। এরপরেই জঙ্গিদের ওপর কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।

উরির সেনাদের ওপর এই হামলার ১০ দিন পরে ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে স্পেশাল ফোর্সের ১৫০ কমান্ডো পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের তিন কিলোমিটার অবধি ভিতরে প্রবেশ করে।

সেখানে ভীম্বর, লিপা ভ্যলি কেল, তত্তপানির জঙ্গি লঞ্চপ্যাডগুলিতে হামলা চালানো হয় ও ভারতীয় সেনাদের শহিদ হওয়ার বদলা নেওয়া হয়। জঙ্গিদের ওপর করা এই আক্রমণে বেশ বেকায়দায় পড়ে যায় পাকিস্তান।

স্পেশাল কমান্ডো টিমের এই পালটা হামলায় জঙ্গিরা পালাবার পথ খুজে পায় না। অনুমানিক প্রায় ৫০ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়। স্পেশাল টিম বেশ কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটিও ধ্বংস করে।

রাত সাড়ে ১২ টা নাগাদ এই অপারেশন শুরু করে ভারতীয় বাহিনী। শেষ হয় ভোর রাত সাড়ে ৪ টে নাগাদ। নয়াদিল্লির সেনা সদর দফতর থেকে সরাসরি এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক পরিচালনা করা হচ্ছিল। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ব্যাপার এত গোপন রাখা হয়েছিল , যে সেনাবাহিনীর বেশিরভাগ অফিসারেরাও এ ব্যাপারে জানতেন না।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।