নয়াদিল্লি: ক্রেতারা যাতে ভারতে উৎপন্ন পণ্য কেনে তার জন্য কেন্দ্রীয় বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল রবিবার ব্যবসায়ীমহলকে প্রচারে নামতে বলেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিকে আত্মনির্ভর ভারত প্রচার অভিযানে নামার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি সেই সব ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে বলেছেন যারা বন্ধু নয় এমন দেশ থেকে নিম্নমানের পণ্য আমদানি করে এদেশে বেচছেন।

রবিবার ন্যাশনাল ট্রেডার্স ডে উপলক্ষে এক কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরাসরি চিনের নাম না করলেও, ওই দেশ থেকে পণ্য আমদানি করার ব্যাপারে লাগাম পরাতেই বলেছেন। সম্প্রতি চিন ভারত সম্পর্কের অবনতি এবং দু’দেশের সীমান্তে সংঘর্ষের ফলে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আওয়াজ উঠেছে চিনা পণ্য বয়কটের। আর তা করতে হলে প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনে নিজেদের স্বনির্ভর হতে হবে। ফলে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার আত্মনির্ভরতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

যদিও শিল্পমহলের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখানে পণ্য উৎপাদনের জন্য চিনা কাঁচামালের উপর নির্ভর করতে হয়। ফলে তাদের আশঙ্কা যতদিন না বিকল্প ব্যবস্থা হচ্ছে তার আগে চিনা পণ্য ঢোকা বন্ধ করলে এদেশে শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।

এই প্রসঙ্গে পীযূষ গয়ালের বক্তব্য, দেশিয় সংস্থার সুবিধার কথা ভেবে টিভি, টেলিফোন, ক্রীড়া সরঞ্জাম, টায়ার মোমবাতি-সহ বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে নানা রকম বিধি নিষেধ জারি করা হয়েছে। এইভাবে দেশিয় পণ্য ব্যবহার করে অন্তত ১০ লক্ষ্য কোটি টাকার আমদানি আটকানো যাবে। পাশাপাশি এর ফলে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে তিনি মনে করছেন। আর তারই জের টেনে তিনি ব্যবসায়ীমহলকে প্রধানমন্ত্রীর ‘ভোকাল ফর লোকাল’ স্লোগানকে জনপ্রিয় করার কথা বলেন ‌।

এদিকে রবিবার ৯ আগস্ট ভারতছাড়ো আন্দোলনের ৭৮ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘চিন ভারত ছাড়ো’ ডাক দিয়েছিল কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেড (সি এ আই টি)।এই সংগঠনের ছাতার তলায় ব্যবসায়ীরা চিনের পণ্য বয়কট জন্য স্লোগান তুলেছে ‘ভারতীয় সামান- হামারা অভিমান’।এই সিএআইটি-র অধীনে রয়েছে ৪০,০০০ ব্যবসায়ী সমিতি এবং তার সাত কোটি সদস্য। গোটা দেশের প্রায় ৬০০টি জায়গায় ব্যবসায়ীরা তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও