নয়াদিল্লি: গ্রাহকদের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক দাবি থেকে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ করল সেন্ট্রাল কনজিউমার প্রোটেকশন অথরিটি (CCPA)। সংস্থার করফে জানানো হয়েছে যে বিজ্ঞাপনদাতাদের তাদের বিজ্ঞাপন প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে সংস্থার বিরুদ্ধে তারা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

CCPA একটি বিবৃতিতে বলেছে, দেশে যে মহামারী পরিস্থিতি চলছে তার সুযোগ নিয়ে পণ্য প্রচারের জন্য কোম্পানিগুলি গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। পণ্য বিক্রি করার জন্য বিভ্রান্তিমূলক এবং মিথ্যা দাবি করছে সংস্থাগুলি। এমন ঘটনা ঘটলে তাকে অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন হিসাবে দেখা হবে। এক্ষেত্রে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বা ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতা এই পদক্ষেপের জন্য যেন দায়বদ্ধ থাকেন। CCPA উপদেষ্টা খাদ্য ও খাদ্যতালিকাগত পরিপূরক পণ্যগুলি কিছু ট্যাগ ব্যবহার করে থাকে। সেগুলি হল “৯৯.৯ জীবাণু মারতে পারে”, “১০০% দেশী” বা “রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে”। এগুলি নিয়েই নির্দেশিকা জারি করেছে CCPA।

একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, TAM মিডিয়া রিসার্চ কিছু মারাত্মক তথ্য উঠে এসেছে। এই গবেষণা অনুসারে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যে হ্যান্ড স্যানেটাইজারের বিজ্ঞাপনগুলি টেলিভিশন প্রায় ১০০% বৃদ্ধি পেয়েছিল। মহামারীর কারণে ২০২০ সালে সামগ্রিক বিজ্ঞাপনের পরিমাণের ২০% গঠন বেড়েছিল। একাধিক খাদ্য, ব্যক্তিগত যত্ন, স্বাস্থ্যবিধি, ম্যাট্রেস এবং পোশাকের বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড তাদের পণ্যগুলির বিজ্ঞাপন দিয়েছিল। তাকা CCPA-র নির্দশনার আওতায় পড়েছে। নখদন্তবিহীন বিজ্ঞাপনের স্ব-নিয়ন্ত্রক সংস্থা Advertising Standards Council (ASCI) এক্ষেত্রে কার্যকর ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ASCI ডিজিটাল স্পেসে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত ৫০ টিরও বেশি বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করেছে।

CCPA ২০২০ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। উপভোক্তা সুরক্ষা আইন, ২০১৯ সালের ১০ ধারার অধীনে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। CCPA-র উদ্দেশ্য হ’ল শ্রেণি হিসাবে গ্রাহকদের অধিকার প্রচার, সুরক্ষা এবং প্রয়োগ করা। গ্রাহকদের অধিকার লঙ্ঘন এবং অভিযোগ প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ বা মামলা পরিচালনা, নিরাপদ নয় এণন পণ্য ও পরিষেবা প্রত্যাহার, বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন আটকানো এসবই এর কাজ। অভিযোগের ভিত্তিতে এই সংস্থা বিজ্ঞাপনদাতার উপর জরিমানা আরোপের বিষয়ে তদন্ত পরিচালনা করতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।