নয়াদিল্লি : বড় জয়। প্রজাতন্ত্র দিবসের রাজপথে সুসজ্জিত ট্যাবলোগুলির মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেল উত্তরপ্রদেশের রাম মন্দিরের ট্যাবলো। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট এক শতাব্দীরও বেশি সময় পরে রামজন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিষয়টি নিষ্পত্তি করে৷ অযোধ্যার ওই বিতর্কিত স্থানে রাম মন্দির নির্মাণের রায় দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত৷ এছাড়া এই পবিত্র নগরে একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি দেওয়ার কথাও বলে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত বছর আগস্ট মাসে অযোধ্যাতে রাম মন্দিরের ‘ভূমি পুজো’ করেছিলেন। ২০২৩ সালের মধ্যে রাম মন্দির নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা।

২০২১ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে অযোধ্যার রাম মন্দিরের ট্যাবলো নজর কেড়েছিল সবার। সেই ট্যাবলোটিই বাগিয়ে নিল প্রথম পুরস্কারের খেতাব। রাজপথে রাম মন্দিরের ট্যাবলো প্রবেশ করতেই মানুষ উঠে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান। দর্শকাসন থেকে শোনা যায় জয় শ্রী রাম ধ্বনি। শুরু হয় হাততালি। ট্যাবলোর একপাশে অযোধ্যার দীপ উৎসবের বর্ণনা করা ছিল। এছাড়া ভগবান রামের নিশাদরাজকে আলিঙ্গন, অহল্যাকে রক্ষা, ভগবান হনুমানের সঞ্জীবনীকে নিয়ে আসা, জটায়ু-রামের গল্প ইত্যাদি অনেক কিছুই চিত্রায়িত হয় ট্যাবলোয়৷

মূল ট্যাবলোর সম্মুখভাগে ছিল মহর্ষি বাল্মীকির একটি মডেল৷ তার পিছনে ছিল রাম মন্দিরের রেপ্লিকা৷ উত্তরপ্রদেশ সরকারের এক অফিসার জানিয়ে ছিলেন, অযোধ্যা পবিত্র জায়গা৷ আর রাম মন্দির অন্যতম আবেগপ্রবণ ইস্যু৷ আমাদের ট্যাবলো শহরের ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে৷ এই ঐতিহ্যকেই গোটা দেশের মানুষ শ্রদ্ধা করে৷ এই ট্যাবলোতে ছিল শিল্পীদের একটি গ্রুপও। তাঁদের মধ্যে ২ জন মহিলা নর্তকী ছিলেন। এছাড়া একজনকে রামের মতো সাজানো হয়৷ তিনিও ট্যাবলোয় ছিলেন।

দেশের ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ট্যাবলো অংশ নেয় প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে৷ অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পর রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হচ্ছে অযোধ্যায়৷ বর্তমানে এই রাম মন্দির উত্তরপ্রদেশের গর্ব৷ আর সেই কারণেই প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলোতে ছিল রাম মন্দিরের রেপ্লিকা। এছাড়া রামায়ণের বিভিন্ন ঘটনাও তুলে ধরা হয়৷ দীপোৎসব সহ বিভিন্ন ঘটনাও তুলে ধরা হয় ট্যাবলোর মাধ্যমে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।