গোরক্ষপুর: যখন আইনের রক্ষকই ভক্ষক হয়ে দাঁড়ান, তখন আইনের প্রতি বিশ্বাস ফিকে হয়ে আসে। ঠিক এরকমই ঘটনা ঘটেছে যোগীরাজ্যের গোরক্ষপুরে। এক যুবতি শিক্ষিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই পুলিশের বিরুদ্ধে।

এই নক্ক্যারজনক ঘটনাটি ঘটেছে গোরক্ষপুর স্টেশনের কাছে। ২৪ বছরের ওই যুবতির দাবি, দুইজন পুলিশ তাঁকে গোরক্ষনাথ থেকে অপহরণ করে এবং তাঁকে স্টেশনের কাছে একটি ঘরে নিয়ে যায়। অভিযোগ সেখানেই গণধর্ষণ করা হয় ওই যুবতিকে।

হিন্দি সংবাদমাধ্যম অমর উজালার তথ্যানুযায়ী, যুবতি ওই পুলিশদের কাকুতি মিনতি করলেও রেহাই দেওয়া হয়নি তাকে। উলটে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। অবশেষে রাত ১ টার পর নির্যাতিতাকে মুক্তি দেয় অভিযুক্ত দুই পুলিশ।

কোনওক্রমে অটো করে নিজের বাড়িতে পৌঁছায় ওই যুবতি এবং গোটা ঘটনা তাঁর পরিবারকে জানায়। বর্তমানে নির্যাতিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতিতার বাবা-মা থানায় অভিযোগ জানাতেই এই ভয়ঙ্কর ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। পুলিশের নাম এই ঘটনায় জড়িয়ে যাওয়ায় পুলিশ মহলেও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সার্কেল অফিসার কোতোয়ালি ভিপি সিং দ্রুত হাপাতালে পৌঁছান ও নির্যাতিতার বয়ান রেকর্ড করেন । রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে নির্যাতিতা যুবতি পেশায় একজন শিক্ষিকা। চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বোনের বাড়িতে যাওয়ার জন্য ওই যুবতি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। মাঝ রাস্তায় দুই পুলিশ তাঁকে আটক করে এবং অভিযোগ করে, সে অশালীন কাজে যুক্ত। এরপরেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হোটেলের রুমে এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।