লখনউ: অবশেষে গনধর্ষণের মামলা থেকে রেহাই পেলেন ভাদোহির বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি। ধর্ষণের সপক্ষে ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে শনিবার তাঁকে ক্লিনচিট দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনায় পুলিশ তার ভাগ্নে সন্দীপ ত্রিপাঠিকে গ্রেফতার করেছে। সেও গণধর্ষণ মামলার আসামি ছিল। এই বিষয়ে ওই বিধায়কের ছেলে নীতেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৪ (ইচ্ছাকৃত অবমাননা) এবং ৫০৬ (অপরাধমূলক ভয়ভীতির) অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিজেপি বিধায়ক এবং তার ৫ ছেলে শচীন, চন্দ্রভূষণ, দীপক, প্রকাশ এবং নীতেশ এবং ভাগ্নের বিরুদ্ধে, ৩৫ বছর বয়সী এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। এই বিষয়ে ভাদোহির কোতোয়ালিতে আইপিসির ৩৭৬ ডি, ৩১৩, ৫০৪, ৫০৬ ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।

বারাণসীর ওই নির্যাতিতা মহিলা এর আগেও পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে, এবং ভাদোহির একটি হোটেলে ওই নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করার অভিযোগ তুলেছিল।তার অভিযোগ অনুসারে, ঘটনাটি ঘটেছে ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনের সময়।

ওই মহিলা পুলিশের কাছে অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, ২০১৪ সালে মুম্বই বেড়াতে যাওয়ার সময়, তিনি ওই বিধায়কের ভাগ্নে সন্দীপ ত্রিপাঠির সঙ্গে একই ট্রেনে গিয়েছিলেন। ফলে তাঁদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল এবং তখন দুজনের মধ্যে ফোন নম্বরও বিনিময় হয়। নির্যাতিতা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, সেই সময় অভিযুক্ত সন্দীপ ত্রিপাঠি তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়। এবং তাঁর সঙ্গে সহবাস করে। পরে তিনি সন্দীপের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন।

জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে ভাদোহির সেই হোটেলে সন্দীপ তাঁকে আবার ডেকে পাঠায়। তিনি সেখানে গেলে সেইসময় ওই বিধায়ক সহ তাঁর ৫ ছেলে তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে ভাদোহির পুলিশ সুপার রাম বদন সিংহ বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। এবং এই বিষয়ে সম্পূর্ণ তদন্তের পরেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”