লখনউ: অম্বিকেশ মহাপাত্রের স্মৃতি ফিরে এল উত্তরপ্রদেশে৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আপত্তিজনক পোস্ট শেয়ার করায় গ্রেফতার করা হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই প্রফেসরকে৷ একই ঘটনা ঘটল যোগীর রাজ্যে৷ যোগীকে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করায় গ্রেফতার সাংবাদিক৷ অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য সম্প্রচারিত করে গেরুয়া শিবিরের রোষে একটি বেসরকারি চ্যালেনের মালিক৷ এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ পরপর সাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় বিরোধী দলগুলি নিশানা করেছে রাজ্য সরকারকে৷

ধৃত সাংবাদিকের নাম প্রশান্ত কানোজিয়া৷ তিনি ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক৷ তাঁর বিরুদ্ধে হজরতগঞ্জ পুলিশ থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷ অভিযোগে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার উদ্দেশ্যে ট্যুইটার ও ফেসবুকে ওই পোস্ট শেয়ার করেছেন সাংবাদিক৷ তাঁর বিরুদ্ধে আইপিসি’র ৫০০ ও আইটি অ্যাক্টের ৬৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷

গ্রেফতারির পর হজরতগঞ্জ থানার পুলিশ প্রেস বিবৃতিতে জানায়, কানোজিয়া ‘অপরাধ’ স্বীকার করে নেন৷ ওই পোস্ট তিনিই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানান৷ তবে এই গ্রেফতারির পর উঠছে কিছু প্রশ্ন৷ প্রকাশ কানোজিয়া দিল্লির বাসিন্দা৷ তাঁকে কোথা থেকে কীভাবে গ্রেফতার করা হয়ে সেবিষয়ে কোনও মন্তব্য করে পুলিশ৷ সাংবাদিক গ্রেফতারের নিন্দা করে সমাজবাদী পার্টি৷ তোপ দেগে জানায়, আইনের শাসন ফেরাতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার৷ সাংবাদিক গ্রেফতারে সেই হতাশাই প্রকাশ পেল৷

অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য সম্প্রচারিত করায়  নয়ডার একটি বেসরকারি চ্যালেন মালিক ইশিকা সিং ও অনুজ শুক্লাকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ৷ গ্রেফতারি প্রসঙ্গে পুলিশের বক্তব্য, উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আইন শৃঙ্খলা খারাপের দিকে এগিয়ে যেত৷