মোরাদাবাদ: বোধহয় এটা যোগীর রাজ্যেই সম্ভব! দেশ যখন ডিজিটাল দুনিয়ায় এগিয়ে চলেছে, ঠিক তখন মধ্যযুগীয় সিদ্ধান্ত নিল মোরাদাবাদের একটি কলেজ৷ বিজ্ঞপ্তি জারি করে ক্যাম্পাসের মধ্যে ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করল উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের মহারাজা হরিষ চন্দ্র পি জি কলেজ৷ পড়ুয়াদের মনঃসংযোগ বাড়াতেই নাকি এই বিজ্ঞপ্তি বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ৷

তব শুরু কলেজ চত্বরে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ক্ষান্ত হয়নি কর্তৃপক্ষ, নির্দেশ অমান্য করলে শাস্তিরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে৷ জানা গিয়েছে, কলেজ চত্বরে ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়লেই বাজেয়াপ্ত হবে ফোন৷ মহারাজা হরিষ চন্দ্র পি জি কলেজ কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মোবাইল ফোন পড়ুয়াদের মনঃসংযোগ ও পড়াশুনায় ক্ষতি করে৷ ফলে, পড়ুয়াদের পড়ায় মোন বসাতেই কলেজ কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত৷

মহারাজা হরিষ চন্দ্র পি জি কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, ‘‘ফোন পড়ুয়াদের জন্য ক্ষতিকারক বিষয়৷ পড়াশুনা ফেলে পড়ুয়ারা সোশ্যাল মিডিয়ায় মগ্ন হয়ে পড়ছে৷ ছেলেরা প্রতিনিয়ত মেদের সঙ্গে ফোনে গল্প করে চলেছে৷ ফলে, কম বয়সের মধ্যেই তারা শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷ পড়ুয়াদের প্রভূত এই ক্ষতি রুখতে মোবাইল ব্যান্ড করা হয়েছে৷’’ আগামী শিক্ষা বর্ষ থেকে এই ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হবে বলেও জানা অধ্যক্ষ৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।