ফাইল ছবি

লখনউ: অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে স্ত্রীর, এই সন্দেহেই নিজের স্ত্রী সহ দুই মেয়েকে খুন করলেন ৬০ বছরের প্রৌঢ়। নৃশংস এঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতুড়ি দিয়ে নৃশংস ভাবে খুন করে তাঁর স্ত্রী সহ দুই সন্তানকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী ও দুই কন্যাকে মারার পড়ে তৃতীয় মেয়েকেও মারতে উদ্যত হয় ওই অভিযুক্ত। কিন্তু আঘাত লাগার পরেও কোনওক্রমে পালিয়ে বাঁচে সে। বর্তমানে মিরাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। অন্যদিকে অভিযুক্তের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালালেও, স্ত্রী ও দুই কন্যাকে মারার পর থেকেই পলাতক সে।

আরও খবর পড়ুন – ভারত সীমান্তে বাংলাদেশের জঙ্গলে ট্যাংক বিধ্বংসী গোলা উদ্ধার: বিজিবি

বুন্দেলশহরের সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ সন্তোষ কুমার সিং জানান, এ ঘটনা ঘটেছে আম্বেদকর নগর কলোনী এলাকায়। মৃতা মহিলার বয়স ৫০ এর কাছাকাছি। অন্যদিকে মৃত দুই মেয়ের বয়স যথাক্রমে ২০ ও ১৫। অপর যে মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, তাঁর বয়স ১৮ বছর।

ওই পরিবারেরই ২২ বছরের ছেলের বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেছে। সে অবশ্য ওই পরিবারের সঙ্গে থাকে না, নিজের স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকে সে।

আরও খবর পড়ুন – প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের রাজ্য সরকারের

ছেলের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ সন্তোষ কুমার সিং জানান, “ওই ব্যক্তি স্ত্রী ও মেয়েদের বাইরের লোকেদের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের ব্যাপারে সন্দেহ করত। এ জন্য প্রায়ই বাড়িতে অশান্তি হত। গত রাতেও তাদের বাড়িতে ঝগড়া হয়েছিল। এরপর স্ত্রী ও তিন মেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে হাতুড়ি দিয়ে তাঁদের মাথায় বাড়ি মারে ওই ব্যক্তি। এতে স্ত্রী সহ দুই মেয়ের মৃত্যু হয়। অন্যজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।”

পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়েছে খুব দ্রুত পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে। তাঁকে ধরতে চারটি পুলিশ টিম গঠন করা হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন – বিজ্ঞানীর মৃত্যুতে শোকবিহ্বল দেশ, সম্মানে বেজে উঠেছিল হাজার হাজার টেলিফোন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।