বিজনৌরঃ মাদ্রাসায় হানা দিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ! মাদ্রাসায় অতর্কিতে পুলিশি হামলায় উদ্ধার হল উদ্ধার হল বেআইনি অস্ত্র! ঘটনা শুনে স্তম্ভিত হলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর জেলার শেরকোটে। বুধবার এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন অন্তত ২৫ জন ছাত্র-ছাত্রী। হঠাৎই মাদ্রাসায় হঠাৎই অভিযান চালায় পুলিশ। সার্কেল অফিসার কে কানোজিয়া জানিয়েছেন, “আমরা খবর পেয়েছিলাম কিছু সমাজবিরোধী এই মাদ্রাসায় ডেরা বাঁধার চেষ্টা করছেন। তাই আমরা অভিযান চালাই। অভিযান চালিয়ে ৫ টি পিস্তল সহ কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ঘটনার তদন্ত এখনও শেষ হয় নি। এই ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত করবে পুলিশ।”

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা গুলিকে জঙ্গি তৈরির কারখানা বলে রিপোর্ট দিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক জঙ্গিশিবির চালাচ্ছে জেএমবি। সেই শিবিরে নিয়মিত যাতায়াত করেন লস্কর ই তৈবার কুখ্যাত জঙ্গিরা। বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত উল মুজাহিদিন এই মাদ্রাসাগুলিকে ব্যবহার করছে বলে সতর্ক করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। এছাড়া অসমের মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলিতেও চলছে একই কায়দায় নিয়োগ। ২০১৪-র অক্টোবরে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর প্রথম পশ্চিমবঙ্গে জেএমবির উপস্থিতি টের পান গোয়েন্দারা।

ওই ঘটনার তদন্তে নেমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করে NIA. গত সপ্তাহেও কলকাতা ও বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার হয়েছে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত ৫ জঙ্গিকে। মঙ্গলবারও পূর্ব বর্ধমান থেকে গ্রেফতার হয়েছে বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহভাজন জঙ্গি আবদুল রহিম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতে গণতান্ত্রিক সরকার ফেলে সেখানে শরিয়া প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াই করছে জেএমবি। সেজন্য এরাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় গোপন আস্তানা তৈরি করেছে তারা। তবে এই ঘটনা প্রমাণ দিচ্ছে, শুধু এরাজ্যে নয় গোটা দেশেই মাদ্রাসাগুলিকে জঙ্গি তৈরির কারখানা হসেবে গড়ে তোলার ছক করছে জঙ্গি সংগঠন গুলি!