ফাইল ছবি

লখনউঃ দেশ জুড়ে বেড়েছে লক ডাউনের মেয়াদ। আর এই লক ডাউনে যাতে সাধারনের কোন অসুবিধা না হয় সেই কারণে কেন্দ্রের তরফে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। শুধু পদক্ষেপ নেওয়া নয়, দেশবাসীর কথা ভেবে তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউনে একগুচ্ছ ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম মদের দোকান খোলা। যদিও মদের দোকান খোলা নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

কারণ সকাল থেকে যেভাবে মদের দোকানে লাইন পড়ছে তাতে আতঙ্ক আরও বাড়ছে। কারণ মানা হচ্ছে না কোনও নিয়মই। সোশ্যাল ডিসটেন্সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই চলছে মদের দোকান। যদিও রাজস্ব আয় করতে একাধিক রাজ্য বিভিন্ন ধরনের কর বসিয়েছে। কিন্তু তাতে কি! সকাল হলেই মদের দোকানে লম্বা লাইন। আর এই সুযোগে মদের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। কার্যত ৫ টাকা থেকে বোতল প্রতি চারশো টাকা পর্যন্ত বাড়ছে দাম।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যার জেরে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে প্রায় ২৩৫০ কোটি টাকার রেভেনিউ আয় হতে পারে বলে অনুমান করছেন অনেকেই।আর এই দাম বৃদ্ধির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী সুরেশ খান্না জানিয়েছেন, দেশী মদের ক্ষেত্রে দাম বেড়েছে ৫ টাকা। অর্থাৎ আগে যা ৬৫ টাকাতে কিনতে পাওয়া যেত এখন সেই বোতল কিনতে খরচ হবে ৭০ টাকা। এছাড়াও ৭৫ টাকার বোতল নতুন দাম অনুসারে কিনতে খরচ হবে ৮০ টাকা। দিল্লির পরে উত্তর প্রদেশেও বাড়ল মদের দাম।

এছাড়াও জানা গিয়েছে ৫০০ মিলিলিটারের বেশি বোতলের ক্ষেত্রে ৩০ টাকা দাম বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও জানা গিয়েছে ১৮০ এমএল বোতলের ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধি পাবে ১০ টাকা। আর ১৮০ থেকে ৫০০ মিলি লিটারের মধ্যে বোতলের দাম বৃদ্ধি পাবে ২০ টাকা। নয়া এই দাম লাগু হয়েছে বুধবার মধ্যরাতের পর থেকেই। ইতিমধ্যে লক ডাউনের পর থেকে রাজ্য থেকে প্রায় ৮০ হাজার লিটার বেআইনি বিষাক্ত মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মন্ত্রী।

সে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যতে মদ না পাওয়াতে সম্প্রতি তিন বন্ধু স্যানিটাইজার পর্যন্ত খেয়েছেন। পাশপাশি এও জানিয়েছেন বেআইনি এবং বিষাক্ত ওই মদ খেয়ে কয়েকজন মারা গিয়েছেন। দেশ জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে আর যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের।

ইতিমধ্যে আগামী ১৭ তারিখ পর্যন্ত তৃতীয় পর্যায়ের লক ডাউন দেশ জুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তেলেঙ্গানাতে বাড়ানো হয়েছে লক ডাউনের মেয়াদ। দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি আক্রান্ত মহারাষ্ট্রে। প্রশাসনের তরফে ওই রাজ্যতে রয়েছে কড়া নির্দেশিকা। এছাড়াও জানা গিয়েছে রাজধানী দিল্লিতে বেশ কিছু হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে তার মধ্যে সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য জোন ভিত্তিক বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.