লখনউ : তিনি প্রথমে রাম ভক্ত, তারপর উপ মুখ্যমন্ত্রী। এমনই মন্তব্য করে নিজের ৩০ মাসের বেতন রাম মন্দির নির্মাণে দান করলেন উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁর মতে অযোধ্যায় যে রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে, তা প্রত্যেক ভারতীয়ের কাছে গর্বের। সেই গর্বে তিনিও সামিল। তাই নিজের ৩০ মাসের বেতন তুলে দিয়েছে রাম মন্দির নির্মাণ কার্যে।

এই টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি চম্পত রাই ও সদস্য স্বামী বাসুদেবানন্দ সরস্বতীর হাতে। নিজের ৩০ মাসের বেতন ছাড়াও, ১.১০ কোটি টাকা পূর্ত দফতরের কর্মীদের তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজে। অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়ার লক্ষে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সহ অনেকেই অনুদান দিয়েছেন। সেই তালিকায় সামিল হয়েছেন বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর। রাম মন্দির নির্মাণের জন্য তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন।

এই ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ বলেন যে এই অনুদানটি তাঁর এবং তাঁর পরিবার তরফে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জন্য দেওয়া হয়েছে। এই গৌরবময় মন্দির সমস্ত ভারতীয়দের স্বপ্ন। দিল্লি বিজেপি রাম মন্দিরের জন্য শহরজুড়ে কুপনের মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ শুরু করেছে।

দিল্লি বিজেপির সাধারণ সম্পাদক এবং প্রচারের আহ্বায়ক কুলজিৎ চাহাল বলেছেন, অনুদান সংগ্রহের জন্য ১০, ১০০ এবং ১০০০ টাকার কুপন ব্যবহার করা হবে। ১ হাজার টাকার বেশি অনুদান দিতে চাইলে তা চেকের মাধ্যমে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন যাঁরা রাম মন্দিরের জন্য এক কোটি বা তারও বেশি অর্থের যোগান দিতে ইচ্ছুক। আরএসএস, ভিএইচপি সহ অন্যান্য সংগঠন থেকেও অনুদান সংগ্রহের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

আগামী সাড়ে তিন বছরের মধ্যে রাম মন্দির তৈরির কাজ শেষ হয় যাবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। কোটি-কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরিজি মহারাজ জানিয়েছেন, রাম মন্দির তৈরি করতে ১১০০ কোটি টাকার কম খরচ হবে না।

এখন যে গতিতে কাজ চলছে তাতে মন্দিরটি পুরোপুরি তৈরি হতে এখনও সাড়ে তিন বছরের কাছাকাছি সময় লাগবে। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪ লক্ষ গ্রামে ঘুরে-ঘুরে অনুদান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়াও সাধারণ মানুষ মন্দিরর তৈরির জন্য নিজেরা এসেও অনুদান দিতে পারবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.