লখনউ: বিহারে বিজেপিকে জিততে সাহায্য করেছে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিম, এমনই দাবি বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজের। তাঁর আরও দাবি, বিহারের পর এবার পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটেও একইভাবে মিম বিজেপিকে সাহায্য করবে বলে।

বিজেপি বিরোধীদের বরাবরের অভিযোগ, ওয়েইসির মিম ভোট কেটে আদতে পদ্ম-শিবিরকেই সাহায্য করে। এবার খোদ বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্যে এবার বিরোধীদের সেই অভিযোগকেই সমর্থন জোগাল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিহার ভোটে বিপুল সাফল্য পেয়েছে গেরুয়া শিবির। জেডিইউ-কে সঙ্গে নিয়ে এবারও বিহারে বিধানসভা ভোটে লড়াই করেছিল বিজেপি। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, নীতিশের জেডিইউকে পিছনে ফেলে আসন সংখ্যার নিরিখে অনেকটাই এগিয়েছে বিজেপি।

বিহারের সংখ্যালঘু অধ্যূষিত এলাকাগুলিতে প্রার্থী দিয়েছিল ওয়েইসির দল মিম। বিহারে ৫টি আসনে জিতেছিল মিম। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিম বিহারের মুসলিম ভোটে এবার বড়সড় থাবা বসিয়েছে। ওয়েইসির দল মুসলিম ভোটে ভাগ বসানোয় আদতে সুবিধা হয়ে গিয়েছে বিজেপিরই।

এবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনেও মিম লড়াই করবে। কয়েক সপ্তাহ আগেই বাংলায় এসেছিলেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। ফুরফুরা শরিফে গিয়ে তিনি দেখা করেছেন আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে।

আব্বাসের সঙ্গে জোট বেঁধে তাঁর দল বাংলার ভোটে লড়বে বলে জানিয়েছেন ওয়েইসি। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর-সহ বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই সংগঠন তৈরি করেছে মিম। আসন্ন বিধানসভা ভোটে এবার বাংলায খাতা খোলার আশায় ওয়েইসির দল।

তবে এবার ওয়েইসির মিমকে নিয়ে বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজের করা মন্তব্যে বিতর্ক ছড়িয়েছে। উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনেও মিম ভোটে লড়ে আদতে বিজেপিকেই সুবিধা করে দেবে বলে দাবি করেছেন এই বিজেপি সাংসদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।