স্টাফ রিপোর্টার, কাঁথি: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। শুধু মাত্র এই সন্দেহের বশে কোথাও মৃতদেহ সৎকার করতে দিল না এলাকার লোকজন। শবদেহ নিয়ে যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে মৃতের পরিবারের সদস্যদের। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি থানার অন্তর্গত ঘাঁটুয়া গ্রামে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী।

জানা যাচ্ছে, ঘাঁটুয়া গ্রামেরই বাসিন্দা অক্ষয় রাউল। যিনি কর্মসূত্রে স্বস্ত্রীক মহারাষ্ট্রের পুনেতে থাকতেন। গত রবিবার বছর ২৩’র ওই যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় সেখানে। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি পরিবারের লোকজন একটি গাড়ি ভাড়া করে যুবকের মৃতদেহ গ্রামে নিয়ে আসেন। আর এরপরই ঘটে অশান্তির সূএপাত।

করোনায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সন্দেহের বসে এই দাবি জানিয়ে গ্রামবাসীরা মৃতদেহ সৎকারে বাধা দেয়। ফলে নিরুপায় হয়ে মৃতের পরিবারের লোকজন ফের শবদেহটি সৎকারের জন্যে কাঁথি শহরের একটি শ্মশানে নিয়ে আসে। সেখানেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁদের। মৃতের পরিবারের লোকজনের কথায়, “পারিবারিক অশান্তির জেরে ওই যুবক গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, করোনায় সংক্রামিত হয়ে নয়। কিন্তু কে শোনে কার কথা! কোনও কথা শুনতেই নারাজ এলাকার মানুষজনও।

সকলেরই সন্দেহ ওই যুবক হয়তো করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। বাধ্য হয়ে সৎকারের জন্যে মৃতদেহ নিয়ে হন্যে হয়ে দিগ্বিদিক ঘুরতে হছে তাঁদেরকে।” যদিও এই বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা