স্টাফ রিপোর্টার, বারুইপুর: হোমে কিশোরী আবাসিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু৷ সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায়৷ এই ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ তদন্ত শুরু করেছে৷ স্থানীয় ঢোলাহাট থানার পুলিশ৷

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঢোলাহাটের দিগম্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অঙ্গীকার হোমে এই ঘটনা ঘটে৷ রবিবার রাতে আবেদা শেখ ১৭ বছরের ওই কিশোরীকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়৷

আরও পড়ুন: নিউটাউনকে পরিচ্ছন্ন রাখবে ইতালির রোড সুইপিং মেশিন

হোম সূত্রে খবর, রাত ১টা নাগাদ ওই কিশোরীকে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়৷ সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়৷ পরে খবর পেয়ে সেখানে আসে পুলিশ৷ তারা মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে৷

পুলিশ এখনই এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ৷ তাদের দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই জানা যাবে জয়নগরের পাতিপুকুর গ্রামের বাসিন্দা ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছে নাকি তাকে বিষপান করিয়ে খুন করা হয়েছে৷

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডকে পাহাড় প্রমাণ রানের টার্গেট দিল ভারত

এই পরিস্থিতিতে হোম কর্তৃপক্ষ অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে৷ ওই হোমের সম্পাদক স্বপন মণ্ডল৷ তাঁর সঙ্গে অবশ্য যোগাযোগ করা যায়নি৷ ফলে প্রশ্ন উঠছে, কীসের ভয়ে মুখ খুলতে চাইছে হোম কর্তৃপক্ষ৷ স্থানীয়দের দাবি, ওই হোমের একটি ঘরে আবাসিক ১০-১২ জন৷ সেখানে একজন কিশোরী আত্মহত্যা করল, তা কীভাবে কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে গেল৷

অন্যদিকে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষ্মীকান্তপুরে হাসুস নামে একটি হোম রয়েছে৷ সেখানে মাস তিনেক আগে দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসে৷ তার পর ওই হোমের সব আবাসিককে অঙ্গীকার হোমে পাঠানো হয়৷ সেই ব্যবস্থা সরকারি উদ্যোগেই হয়েছিল৷

আরও পড়ুন: ‘জাতীয়’ নয় বরং ‘গুরুতর প্রাকৃতিক বিপর্যয়’ ঘোষণা কেন্দ্রের

মাসখানেক আগে ওই হোমের ৪৫ জন আবাসিক একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল৷ তাদের প্রথমে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পরে ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরেই ওই আবাসিকরা অসুস্থ হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে৷ এবারও তেমন কিছু ঘটেছে কি না, তাই জানার চেষ্টা করছে পুলিশ৷

আরও পড়ুন: বেসরকারি ক্ষেত্রের ৬০০০ বিশেষজ্ঞের আবেদন ১০টি যুগ্মসচিব পদে