নয়াদিল্লি: সোমবার দিল্লির এক আদালত২০১৭ সালে উন্নাওতে এক নাবালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণে অভিযোগে কুলদীপ সেনেগালকে দোষী সাব্যস্ত করে৷ শাস্তির কথা শুনে সেনেগাল কান্নায় ভেঙে পড়েন৷ জেলা শেষন জজ ধর্মেশ শর্মা গত সপ্তাহে এই রায় দেওয়া স্থগিত রেখেছিলেন৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে লখনউ-এর এক আদালত থেকে তা সরিয়ে এনে ৫ অগস্ট থেকে তার এজলাসে শুনানি চলে ৷ আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ৪৫দিনের মধ্যে এই মামলার শুনানি শেষ করার৷

২০১৭ সালে যাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়েছিল তার এখন বয়স ১৯ বছর৷ গত এপ্রিলে ওই বালিকা মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাড়ির সামনে নিজের গায়ে আগুণ লাগিয়ে দেবে বলে হুমকি দেয় যদি পুলিশ তার অভিযোগ গ্রহণ না করে ৷ এরপর ওই ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করে ৷  এই সেনগার বিজেপির চার বারের বিধায়ক উত্তর প্রদেশের বেঙ্গামারু কেন্দ্র থেকে এবং তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে ২০১৯ সালের অগস্ট থেকে৷

এছাড়া গত ২৮ জুলাই ট্রাকের ধাক্কায় ভীষণ ভাবে আহত হন ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েটি ৷ সেদিনের দুর্ঘটনায় মেয়েটির সঙ্গে থাকা গাড়িতে তাঁর দুই পিসির মৃ্ত্যু হয়৷ এর পিছনে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ উঠেছিল৷ তারপরে এইমস হাসপাতালে বিশেষ আদালত বসিয়ে ওই মেয়েটির বয়ান রেকর্ড করা হয় কারণ তাঁকে আহত অবস্থায় লখনউ থেকে এয়ার লিফট করে চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে আনা হয়৷

তাছাড়া ওই মেয়েটির বাবা কাছে বেআইনি ভাবে বন্দুক রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ২০১৮সালের ৩ এপ্রিল৷ আবার স্থানীয় আদালতে ওই বিধায়ক ও তার ভাই অতুল এবং নয় জনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রয়েছে৷ তবে ওই মেয়েটি দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর কাছে চিঠি পাঠান কী ভাবে তাকে সেনগারে ভয় দেখানো হচ্ছে৷ তারপরেই ওই মামলাটি উত্তর প্রদেশের বাইরে স্থানান্তরিত করা হয় ৷ ধর্ষিতার মা এবং কাকা এখন একমাত্র জীবিত সাক্ষী ৷

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।