প্রতীকী ছবি

শ্রীনগর : ক্রমশই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। একদিকে সীমান্তে পাক সেনার গুলি বর্ষণ, অন্যদিকে করোনার সংক্রমণের আতঙ্ক। সব মিলিয়ে জম্মু কাশ্মীরের নাজেহাল দশা। শুক্রবার জম্মু কাশ্মীর সরকার নতুন করে গাইডলাইন প্রকাশ করল। এতে নাইট কার্ফুতে বিশেষ কড়াকড়ির উল্লেখ রয়েছে।

জানানো হয়েছে অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন না হলে রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কেউ বেরোতে পারবেন না। একমাত্র জরুরি পরিষেবার গাড়ি চলাচল করতে পারে। তার বাইরে কোনও যানবাহনকে অনুমতি দেওয়া হবে না। চৌঠা জুলাই থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

নতুন গাইডলাইনসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিধি মেনে চলার কথা বলা হয়েছে জম্মু কাশ্মীর ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল লাদাখের বাসিন্দাদের। এসওপি বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর মেনে খুলে গিয়েছে শপিং মল। তবে হটস্পট বা কনটেনমেন্ট জোন বাদে সব এলাকাতেই দোকান খুলে দেওয়া হয়েছে।

সকাল ৯টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত দোকান খুলে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রেড জোনগুলিতে দোকান খোলা হবে অল্টারনেটিভ ভাবে, বলে জানিয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটলে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করার ক্ষমতা রাখবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়।

প্রতিদিন পঞ্চাশ শতাংশ দোকান, হোটেল, রেস্তোরা খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। হোম ডেলিভারি বা ডাইন ইনের ব্যবস্থা সমেত। আন্তঃরাজ্য চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কিছুটা তুলে নেওয়া হয়েছে।

জম্মু কাশ্মীরে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কোভিড ১৯ আরটি পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছে প্রশাসন। ১৪ দিনের কোয়ারেনন্টাইনে রাখা হবে সবাইকে, যতদিন না পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে। রিপোর্ট পজেটিভ এলে কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে রোগিকে।

জম্মু কাশ্মীরের বান্দিপোরা ও রামবান জেলা রেড জোনের আওতায় আছে। সাম্বা, গান্দেরবাল, পুঞ্চ, অরেঞ্জ জোনে রয়েছে। ডোডা ও কিশতওয়ার জেলা রয়েছে গ্রিণ জোনে।

নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে আইসিএমআরও। জানানো হয়েছে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে নিয়মে বদল এনেছে ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ’ বা আইসিএমআর।

করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে এবার আরও চিকিৎসকদের লিখিত পরামর্শ বাধ্যতামূলক নয়। যে কেউ চাইলেই দেশের যে কোনও ল্যাবরেটরি থেকে তাঁর করোনা পরীক্ষা করাতে পারবেন। ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্যকে এই মর্মে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেশিমাত্রায় পরীক্ষাই একমাত্র পথ বলে বারবার বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। যত বেশি করোনা পরীক্ষা করানো যাবে তত তাড়াতাড়ি সংক্রমিতের হদিশ মিলবে, নেওয়া যাবে উপযুক্ত ব্যবস্থাও।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ