কলকাতা: যেকোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারত যেকোনও কিছু। আহত হতে পারতেন নায়ক। আবার কাউকে হাসপাতালের বেডেও পাঠাতে পারতেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের জোরে আজ সুস্থ ‘কবীর’এর কলা কুশলীরা। আমার কথার খেই ধরতে পারছেন না নিশ্চয়! পাবার কথাও নয়! কারণ শুরু থেকে শুনতে হবে গল্পটা। তাহলে বুঝবেন অশনির কতবড় মেঘ কেটে গিয়েছে টলিপাড়ার আকাশ থেকে।

জোর কদমে চলছিল ‘কবীর’-এর শ্যুটিং। ডেস্টিনেশন নর্থ বেঙ্গল। সিআরপির ঘেরা এলাকায় চলছে শ্যুট। সঙ্গে রয়েছে জওয়ানাও। প্রায় পাঁচ-সাত মিনিট শ্যুটিং চলার পর, সিআরপির লোকেরা এসে বলল, বন্দুক গুলো আনলোড করো। মানে এতোক্ষণ শুট চলছিল উইথ লোডেড এ কে ৪৭ নিয়ে! একবার হাত পড়ে গেলেই কেলেঙ্কারি কাণ্ড হত! তাহলে বুঝতে পারছেন সেদিন কী হতে পারত!

দেবের গাড়ি এখন দু’পায়ে দৌড়চ্ছে। সাফল্যের রঙ মাখছেন নায়ক দেব। আর এদিকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে চলেছেন প্রযোজক দেব। ‘কবীর’-এর সৌজন্যে দেবের গায়ে লেগেছে ‘অ্যাডাল্ট’-এর তকমা। যা নিজে বিশ্বাস করতে পারছেন না অভিনেতা। তাঁর কথায়, ” এই ছবিতে এমন কিছু নেই যে ‘এ’ দেওয়া যায়। ‘কবীর’ জেহাদের গল্প। কিন্তু তা কখনও টেররিজমকে প্রোমোট করছে না। বরং টেররিজম কেন হয়? আর এটা ঠিক করতে গেলে কী করা উচিত। সেটা নিয়েই ‘কবীর’। তাই সত্যিটা তুলে ধরতে গেলে কেউ যদি ‘এ’ দেয়, তাহলে আমার কিছু করার নেই”।

রাত পোহালেই মুক্তি পাচ্ছে ‘কবীর’। এবার প্রযোজক দেব কোনও প্রিমিয়ারের ব্যবস্থা করেননি। তাঁর সাফ কথা, “পয়সা দিয়ে সিনেমা দেখো, তার র ক্রিটিসাইজ করো। আমি মাথা পেতে নেব। কিন্তু প্রিমিয়ারে বিনা পয়সায় ছবি দেখে সমালোচনা করাটা পছন্দ নয়।”