ওয়াশিংটন: ক্রমেই খারাপ হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশের অবস্থা। শেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে মৃত্যু হল আরও ১২০০ জনের। যা চিন্তার ভাঁজ বাড়াচ্ছে ট্রাম্পের কপালে। জন হপকিন্স-এর তথ্য অনুসারে শেষ ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১২০০ জনের।

চিন, ইউরোপ, ইরানের পর ভাইরাসের যুদ্ধক্ষেত্র এখন ট্রাম্পের দেশ আমেরিকা। মারণ করোনার দাপটে এখনও পর‍্যন্ত মার্কিন মুলুকে প্রায় ৭ হাজার লোক মারা গিয়েছেন। প্রতিদিনই মৃত্যু মিছিল অব্যাহত ট্রাম্পের দেশে।

জানা গিয়েছে, মারণ করোনা গত বছর ডিসেম্বর মাসের শেষদিকে চিনের উহান প্রদেশে প্রথম ছড়িয়ে পড়েছিলো। আর সেই সময় উহান প্রদেশ সহ চিনের বিভিন্ন অংশ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন নাগরিক বিমানে করে আমেরিকা এসেছিলেন। ফলে চিন সেই সময় ভাইরাস সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য চেপে যাওয়ায় এই ৪ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন নাগরিকদের কোনও রকম পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াই দেশে প্রবেশ করানো হয়েছে। ফলে এমন অবস্থায় গভীর সংকটে ট্রাম্পের দেশ আমেরিকা। রবিবার আমেরিকার নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত তথ্যে নতুন এই খবর জানা গিয়েছে।

এছাড়াও গত ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের মধ্যবর্তী সময় পর‍্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার মানুষ চিন ও আমেরিকা এই দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করেছে। যদিও তখনও ভাইরাস সংক্রান্ত গোটা বিষয়টি চিন বিশ্ববাসীর সামনে পরিষ্কার করে তুলে না ধরায়, আন্তর্জাতিক পরিবহণের ক্ষেত্রে তখনও কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয়নি আমেরিকা। ফলে সেই সময় অর্থাৎ জানুয়ারি মাস পর‍্যন্ত আমেরিকায় আগত বিমান যাত্রীদের সেইভাবে কোনও থার্মাল স্ক্রিনিং বা অন্য কোনও ধরনের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরীক্ষা করা হয়নি। যা নিয়ে এখন ঘোরতর চিন্তায় ট্রাম্প প্রশাসন।

আগামী সপ্তাহ থেকেই করোনায় মৃত্যুমিছিল শুরুর আশঙ্কা মার্কিন প্রশাসনের। মার্কিন প্রশাসনের আশঙ্কা, করোনায় আমেরিকায় এক লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ পর্যন্ত মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

করোনা প্রসঙ্গে ডোনল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আগামী ২ সপ্তাহ আমেরিকার কাছে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হতে চলেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সামনের ২ সপ্তাহ আমাদের কাছে খুবই যন্ত্রণদায়ক হতে চলেছে৷ আমাদের শক্তির পরীক্ষা হবে। পরিস্থিতির মোকাবিলার সবরকম চেষ্টা হবে।’

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।