নিউইয়র্ক : উত্তর কোরিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে বসানোর উপযোগী ছোট আকারের পরমাণু বোমা বানিয়ে ফেলেছে। এমনটাই সন্দেহ করছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। সেখানে উপস্থাপিত এক গোপন প্রতিবেদনে এই সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন তথ্য জানালেও সন্দেহ প্রকাশকারী দেশগুলোর নাম জানাতে পারেনি।

রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণকারী বিশেষজ্ঞদের একটি স্বাধীন প্যানেল ওই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। গতকাল (সোমবার) জাতিসংঘের ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের উত্তর কোরিয়া বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা কমিটিতে প্রতিবেদনটি জমা করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়া সর্বশেষ চালানো ছয়টি পারমাণবিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে একটি ছোট আকারের পারমাণবিক ডিভাইস তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরের পর পিয়ংইয়ং আর পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি।

রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে ,উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন করছে এবং পরীক্ষামূলকভাবে লাইট ওয়াটার রিঅ্যাক্টর স্থাপন করেছে। এর মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাজ অব্যাহত রেখেছে।’

তবে এখন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন জানিয়েছিলেন, তার দেশের যে পরিমাণ পারমাণবিক অস্ত্র আছে, তা দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পক্ষে যথেষ্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।