রাষ্ট্রসংঘ: রাশিয়া সরকার আগেই জানিয়েছে তাদের তৈরি বিশ্বের প্রথম করোনা টিকা স্পুটনিক ভি (স্পুটনিক ফাইভ) সর্বসাধারণের জন্য ক্রয়লব্ধ দামেই থাকছে। এবার করোনা টিকার মূল্য নিয়ে মতামত দিল রাষ্ট্রসংঘ।

রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার পর করোনাভাইরাসের টিকা সবার জন্য সহজলভ্য করা হোক। গুতেরেস জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ এখনও নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। মৃতের সংখ্যা ১০ লক্ষে পৌঁছে যাবে বলেই আশঙ্কা করেছেন তিনি।

বিশেষ করে পরবর্তী এক বছর সংক্রমণ দমন ও জীবন বাঁচাতে অতি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা দরকার। করোনাভাইরাসের টিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ভাইরাস বিশ্বজোড়া মহামারী।

এর সংক্রমণ যেহেতু কোনও দেশের গণ্ডীতে আটকে নেই, তাই করোনার টিকা বিশ্ববাসীর সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত হোক। এই টিকা সবার জন্য সহজলভ্য করতে হবে।

রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিবের মন্তব্যের পর করোনা টিকা প্রস্তুতে যে সব দেশে বেসরকারি সংস্থা অর্থ বিনিয়োগ করেছে তারা রীতিমতো উদ্বেগে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ছয় মাস অতিক্রান্ত, দেশজুড়ে চলছে আনলক-ফোর তবুও মিলছে না স্বস্তি। দিন যত এগোচ্ছে ততই দেশে হু-হু করে বাড়ছে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। করোনা মহামারীর থাবায় এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৫২ লাখের কাছে। মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮৩ হাজার ২০০ জন।

তবে এত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও করোনার ভ্যাক্সিন নিয়ে কিছুটা হলেও আশার কথা শোনাল রাশিয়া। নভেম্বর মাসেই ভারতের বাজারে মিলতে পারে রাশিয়ার তৈরি করোনার প্রতিষেধক স্পুটনিক-ভি।

বুধবার একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে এই কথা জানিয়েছেন, রুশ প্রতিষেধক সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভারতীয় সংস্থা ডঃ রেড্ডি ল্যাবের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিভি প্রসাদ।

এদিন তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মারণ ব্যাধিকে বশে আনতে আমরা রাশিয়ান সংস্থা আরডিআইএফ’র সঙ্গে একটি মউ চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এই চুক্তি অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভারতের বাজারে করোনার ভ্যাক্সিন নিয়ে আসা। তবে তিনি আরও জানিয়েছেন বর্তমান এই অতিমারীর হাত থেকে রেহাই পেতে ভারত সহ বিশ্বের সমস্ত দেশই দিনরাত এক করে নিজেদের সাধ্যমত ভ্যাক্সিন আবিস্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও জানাগিয়েছে যে, রাশিয়ার তৈরি ভ্যাক্সিন স্পুটনিক-ভি ভারতে বাজারজাত করার আগে ফের এর ট্রায়াল নেওয়া হবে এবং গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পুর্ণ হতে আরও বেশ কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।