চট্টগ্রাম: হাসপাতালে চিকিৎসা সংকট যেমন রয়েছে তেমনই করোনা রোগীদের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছে হোম হসপিটাল। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এভাবেই চিকিৎসা শুরু করে আলোচনার কেন্দ্রে চট্টগ্রামের চিকিৎসক বিদ্যুৎ বড়ুয়া। তিনি এই হোম হসপিটাল শুরু করেছেন।

আরও খবর পড়ুন – করোনার জের অনিশ্চিত মাধ্যমিকের দিনক্ষণ, সূচি মেলেনি উচ্চ মাধ্যমিকেরও

যে কোনও রোগীর বাড়িতে ফোন পেলেই পৌঁছে যাচ্ছেন ডা. বিদ্যুৎ। দ্রুত শুরু করছেন চিকিৎসা। করোনা সংক্রমণে বাংলাদেশ বিপর্যস্ত। এই অবস্থায় মানুষের দুয়ারে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো এই ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালের কার্যক্রম চলছে। চট্টগ্রাম শহরবাসীর কাছে হোম হসপিটাল এখন অন্যতম ভরসা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বিদ্যুৎ বড়ূয়া। তিনি করোনায় আক্রান্তকে নিজে পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ টি বাড়ি গিয়ে রোগী দেখেন। টেলিমেডিসিন পরিষেবা রেখেছেন। এভাবেই ভয়াবহ করোনার বিরুদ্ধে অসম লড়াইয়ে নেমেছেন ডা. বিদ্যুৎ বড়ূয়া।সোশ্যাল সাইটে উপচে পড়ছে এই হোম হসপিটালের কথা। হোম হসপিটালের হেল্প লাইনে ফোন করে বাড়ি থেকেই চিকিৎসা পরিষেবা নিতে পারছেন রোগীরা।

আরও খবর পড়ুন – BREAKING: নজরে করোনা, সরকারি হাসপাতালে বন্ধ কম জরুরি অপারেশন

বাংলাদেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। রাজধানী ঢাকা সহ দেশের সর্বত্র এই নিয়ম চলছে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিদিন যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন মৃতের সংখ্যা ও আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়ছে করোনায় সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ৪৯৭ জন। মোট ৭ লক্ষ ২৩ হাজার ২২১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৬ হাজার ৩৬৪ জন। মোট ছয় লাখ ২১ হাজার ৩০০ জন করোনা থেকে সুস্থ।

আরও খবর পড়ুন – খাওয়ার পরে ফল খেলে হতে পারে হজমের সমস্যা বলছে ডাক্তার

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.