নয়াদিল্লি: চিনা আগ্রাসনের পাল্টা জবাব দিয়ে গত সোমবারই ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। এই তৎপরতার পর থেকেই নিষিদ্ধ এই অ্যাপগুলির বিকল্প খুঁজতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্করের মতে, ‘ভারতীদের এগিয়ে আসার এটিই সঠিক সময়। দেশে নিষিদ্ধ করে দেওয়া অ্যাপগুলির বিকল্প কোনও অ্যাপ যদি দেশের মানুষই তৈরি করেন তবে বিদেশি সংস্থা ফায়দা নিতে পারবে না।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারত অভিযান বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে সামিল তাঁর পারিষদেরাও। লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে লালফৌজের আগ্রাসনের পর থেকেই দেশজুড়ে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক উঠেছে। চিনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ ভারতীয় সেনা-জওয়ান।

এই পরিস্থিতিতে গত সোমবারই ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। চিনের সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে কোনওরকম সখ্যতার রাস্তায় হাঁটতে রাজি নয় ভারত। সেই বার্তা দিয়েই গত কয়েকদিনে একের পর এক চিনা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে কেন্দ্র।

সম্প্রতি টিকটক-সহ ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। এছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকেও চিনা দ্রব্য আমদানি করতে নিষেধ করেছে কেন্দ্র।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর বলেন, ‘ভারতীয়দের কাছে এখনই সেরা সুযোগ তাঁদের পণ্য তুলে ধরার। আর বিদেশি অ্যাপগুলির ওপর ভরসা করব না। আমরা প্রযুক্তির দিক থেকে এগোনোর চেষ্টা করব। তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসুক।’

এদিকে, চিনের বিরুদ্ধে ভারতের এই পদক্ষেপে খুশি আমেরিকা। একসময় রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত থাকা মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেছেন, ‘টিকটক-সহ চিনা প্রতিষ্ঠানগুলির মালিকানাধীন ৫৯টি জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশনকে ভারত নিষিদ্ধ করছে দেখতে ভাল লাগছে। ভারতকে তারা বৃহত্তম বাজার হিসাবে বিবেচনা করে। চিনের আগ্রাসন থেকে পিছিয়ে না নেওয়ার বিষয়টি ভারত দেখিয়ে চলেছে।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ