নয়াদিল্লি:  করোনা আক্রান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। জানা যাচ্ছে, গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সম্প্রতি করোনার টেস্ট করা হয় ধর্মেন্দ্র প্রধানের। রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে।

সোমবারই করোনা আক্রান্ত হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁকেও মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেই হাসপাতালেই চিকিৎসা হচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর চিকিৎসায় একটি মেডিক্যাল টিম তৈরি করা হয়েছে। প্রতি মুহূর্তে নজর রাখা হচ্ছে তাঁর উপর।

অন্যদিকে, জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পরিবারের সবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। এই মুহূর্তে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা হোম আইসোলেশনে রয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, করোনা আক্রান্ত হয়েছেন অমিত শাহ। রবিবারই আসে সেই রিপোর্ট। নিজেই সেকথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, তাঁর সংস্পর্শে আসা প্রত্যেকে যেন আইসোলেশনে থাকেন।

জানা যাচ্ছে, বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকেও যোগ দেন অমিত শাহ। এদিনের বৈঠকে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। সামাজিক দূরত্ব মেনেই হয় মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক। অমিত শাহের একদিকে ছিলেন মোদী আর অন্যদিকে রাজনাথ।

২২ জুলাই আদবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় অমিত শাহের। গত ১৪ দিনে সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলার একাধিক বিজেপি নেতার সঙ্গে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গেও দেখা হয়েছে তাঁর।

অমিতের সঙ্গে দেখা করেন বাবুল সুপ্রিয়, স্বপন দাশগুপ্ত, দেবশ্রী চৌধুরী, সৌমিত্র খাঁ, নিশীথ প্রামাণিক। দেখা করেন জাভড়েকর, গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াতও।

অমিত শাহ করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসতেই বাবুল তাঁর টুইটে লেখেন, “একদিন আগেই অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। চিকিত্সকরা বলছেন, আমি যেন নিজেকে পরিবারের থেকে কয়েকদিন নিজেকে আলাদা করে রাখি। একইসঙ্গে যেন কোভিড টেস্টটাও করিয়ে নিই। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সবটাই করব।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।