নয়াদিল্লি: আগামী ১ মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে টিকাকরণের আওতায় আনার তৎপরতা শুরু। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেকে আগামী ১ মে থেকে টিকা নিতে পারবেন। সেই কারণেই টিকার ডোজের চাহিদা তুঙ্গে। এবার দেশের দুই টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এবং হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেককে বিশাল অঙ্কের ঋণ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। জানা গিয়েছে, এই দুই টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাকে ৪৫০০ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। করোনার টিকা তৈরিতে গতি আনতেই এই তৎপরতা।

কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে ৫০ শতাংশ ভ্যাকসিন খোলা বাজারেই বিক্রি করতে পারবে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি। তবে ভ্যাকসিনের দাম বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রি করতে হবে করোনার ভ্যাকসিন। যে কেউ ইচ্ছেমতো এই ভ্যাকসিন কিনতে পারবেন। এমনকী রাজ্যগুলিও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি থেকে নিজ উদ্যোগে ভ্যাকসিন কিনতে পারবে।

অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে মোদী সরকার। এরই পাশাপাশি হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেককেও টিকা তৈরির জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হচ্ছে। পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট বানাচ্ছে ‘কোভিশিল্ড’। ভারত বায়োটেক তৈরি করছে ‘কোভ্যাক্সিন’। দেশে এই দুটি টিকাকেই প্রথমে প্রয়োগের জন্য ছাড়পত্র দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। দেশজুড়ে এখনও এই দুটি ভ্যাক্সিনের প্রয়োগ চলছে জোরকদমে।

তবে এবার টিকার চাহিদা তুঙ্গে। কারণ, ১ মে থেকে ১৮ বছরে বেশি প্রত্যেকে টিকা নেবে। রাজ্যগুলি নিজ উদ্যোগে টিকা কিনতে পারবে। খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে করোনার টিকা। সেই কারণেই বিপুল পরিমাণ টিকা উৎপাদন জরুরি। টিকা তৈরির কাজে যাতে কোনও খামতি না থাকে তার জন্য তৎপর কেন্দ্র।

আপাতত ৪৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হচ্ছে ‘কোভিশিল্ড’ ও ‘কোভ্যাক্সিন’ প্রস্তুতকার দুই সংস্থাকে। পরবর্তী ক্ষেত্রে এই ঋণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। দেশে করোনার চোখ রাঙানি জারি। মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৫৯ হাজারের কিছু বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.