নয়াদিল্লি: দেশের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখে ভারতে নিষিদ্ধ হল ই-সিগারেট। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বুধবার এই ঘোষণা করেন। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসছে উৎপাদন, আমদানি, রফতানি, আদান-প্রদান, বিক্রি ও বিতরণ, সংরক্ষণ ও ই-সিগারেট সম্পর্কিত বিজ্ঞাপণ সবেতেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানিয়েছেন, “ই-সিগারেটের প্রচার মানুষকে ধুমপানের অভ্যাস থেকে বের করে আনার জন্যই এর ব্যবহার শুরু হয়েছিল তবে সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন রিপোর্ট উঠে এসেছে যে, সাধারণ মানুষের মধ্যে ইলেকট্রনিক সিগারেট নেশার মত ছড়িয়ে গেছে।” এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজেটে ২০২৮ কোটি টাকার প্রভাব পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “রিপোর্ট বলছে একটি বড় অংশের মানুষ ই-সিগারেটকে তাঁদের অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছে। যেন এই ব্যাপারটা ভীষণ কুল এবং ট্রেন্ডি একটি বিষয়। মনে করা হচ্ছে, ৪০০ বেশি ব্র্যান্ড আছে যার একটিও ভারতীয় নয়। প্রত্যেক ব্যান্ডের মধ্যে ১৫০ টি ফ্লেভার আছে।” প্রত্যেক ব্যান্ডের মধ্যে ১৫০ টি ফ্লেভার আছে।” স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রীসভার এই দল। নির্মলা সীতারমন এই কমিটির প্রধান।

এর আগে বহু সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে মানুষ ৪২ শতাংশ মানুষ চান ই-সিগারেট একেবারে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হোক। Ipsos-এর সার্ভেতে সবথেকে বেশি মানুষ তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হওয়া উচিৎ বলে মনে করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।