নয়াদিল্লি:‌ তপশিলি জাতি ও-উপজাতিদের জন্য দরাজ কেন্দ্র। শনিবারের বাজেটে তপশিলি জাতি ও উপজাতিদের উন্নয়নের জন্য বিপুল টাকা বরাদ্দ করার ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের। একইসঙ্গে আদিবাসীদের উন্নয়নেও টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্পক্ষেত্রে বরাদ্দ ঘোষণার পাশাপাশি দেশের তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের উন্নয়নে‌ ৮৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল এবারের বাজেটে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ ঘোঁচাতে এবারে বাজেটে তৎপরতা দেখিয়েছে কেন্দ্র। তারই ফলস্বরূপ তপশিলি জাতি–উপজাতি ও অনগ্রসর শ্রেণির জন্য বিপুল বরাদ্দের ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। শুধু তপশিলি জাতির জন্যই নয় এবারের বাজেটে একইসঙ্গে আদিবাসীদের কল্যাণের জন্যও আর্থিক বরাদ্দ করার ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

আদিবাসী উন্নয়ন খাতে এবারের বাজেটে ৫৩,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জাতপাতের রাজনীতির অভিযোগ ঘোঁচাতেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। শনিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাজেট পেশ করে বলেন, ‘‌তপশিলি জাতি ও আদিবাসীদের ত্রাণ ও উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ৮৫,০০০ কোটি ও ৫৩,০০০ কোটি টাকার একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে।’‌ ‌‌

একইসঙ্গে বাজেটে গ্রামীণ স্বাস্থ্যক্ষেত্রের দিকেও নজর রাখা হয়েছে। জনঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এবার গ্রামীণ এলাকায় কেন্দ্রীয় উদ্যোগে জনঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে তৎপরতা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্মলা সীতারমন। এক্ষেত্রে দেশের গ্রামীণ এলাকাগুলির উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। গ্রামাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় আরও গতি আনতে কেন্দ্র বিশেষভাবে সচেষ্ট বলেও এদিন সওয়াল করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এই প্রসঙ্গে নির্মলা বলেন, ‘২০২৪ সালের মধ্যে দেশের সব জেলায় কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে জনঔষধি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে’৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।