নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আগামী সপ্তাহে সাধারণ বাজেট পেশ করবেন। আর সেই সময় প্রকাশ হতে পারে নয়া বেসরকারি নীতি। যার মাধ্যমে নন স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থেকে সরে আসতে পারে সরকার। এমনটাই সূত্রের খবর বলে জানাচ্ছে সংবাদ সংস্থা।

পয়লা এপ্রিল থেকে নতুন বর্ষ শুরু হচ্ছে তাঁর জন্যই এই বাজেট সেখানের চিহ্নিত করা হবে কোনগুলি স্ট্র্যাটেজিক সেক্টর রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সেখানে সরকার তাদের অস্তিত্ব বজায় রাখবে। বুধবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করেছে নতুন রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের সংস্থা নীতি । তাতে স্ট্র্যাটেজিক এবং নন স্ট্র্যাটেজিক ক্ষেত্রের আলাদা আলাদা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

স্ট্র্যাটেজিক সেক্টর হল সেগুলি যেগুলি জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের মঙ্গলের জন্য সংকটময় । মে মাসে সরকার আত্মনির্ভর ভারতের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল সর্বাধিক চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থাকবে স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরের এবং সরকারি মালিকানাধীন অন্যান্য ক্ষেত্রকে বেসরকারিকরণ করা হবে।

এই নীতিতে স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরের একটি তালিকা করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে যাতে অন্তত এক এবং সর্বাধিক চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থাকতে পারে। অন্যান্য ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয়ত্ত সংস্থাগুলিকে বেসরকারিকরণ করা হবে তাদের সম্ভাব্যতা দেখে নিয়ে।

সূত্রের খবর বাজেটে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারিকরণের দিকে জোর দিচ্ছে যাতে সরকারি খরচে জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের ব্যবস্থা হয়। যদিও চলতি আর্থিক বছরে সরকার বিলগ্নীকরণের মাধ্যমে ১৭,৯৫৭ কোটি টাকা তুলেছে যেখানে বাজেটে ধরা হয়েছিল ২.১ লক্ষ কোটি টাকা।তবে শেয়ার বাজার এখন বেশ উপরে থাকায় তার সুবিধা নিতে চাইছে কেন্দ্র, ফলে চলতি অর্থবর্ষের শেষে চেষ্টা করছে বেশ কিছু কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সংখ্যালঘু শেয়ার বেচে কিছু অর্থ তুলতে চাইছে। আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সাধারণ বাজেট পেশ করবেন। এটা তার তৃতীয় বাজেট তবে করোনা সংকটের পরে এই প্রথম তিনি বাজেট পেশ করতে চলেছেন। সে ক্ষেত্রে এটা তার কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ ।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।