হায়দরাবাদ: খেলার মাঠে ক্রিকেটারের গুরুতর আহত কিংবা মৃত্যুর ঘটনা প্রথম নয়। কিন্তু রবিবার হায়দরাবাদের এক ক্রিকেটারের মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত দেশের ক্রিকেটমহল থেকে নেটদুনিয়া। মাঠে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে খুশি হতে না পেরে ড্রেসিংরুমে ফিরে মৃত্যু হল হায়দরাবেদের এক ক্রিকেটারের। ৪১ বছর বয়সি মৃত ক্রিকেটারের নাম বীরেন্দ্র নায়েক।

সূত্রের খবর, রবিবার মারডপল্লী স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ব্যাট হাতে স্থানীয় ওয়ান-ডে লিগে মাঠে নেমেছিলেন বীরেন্দ্র। শুধু তাই নয়, ব্যাট হাতে ঝকঝকে ৬৬ রানের ইনিংসও খেলেন তিনি। কিন্তু এরপরে এমন কী ঘটল যে মাত্র একচল্লিশেই ঝরে যেতে হল এমন একটি তরতাজা প্রাণকে। সূত্রের খবর, এদিন অর্ধশতরান করলেও আম্পায়ারের একটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাঁকে। যার জেরে খুশি হতে পারেননি বীরেন্দ্র। এরপরই ড্রেসিংরুমে ফিরে হার্ট-অ্যাটাক হয় তাঁর। এরপর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

আরও পড়ুন: কেরিয়ারের সেরা ব়্যাংকিং শামি-ময়াঙ্কের

সঙ্গে সঙ্গে সতীর্থরা তাঁকে গাড়িতে সেকেন্দ্রাবাদ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বীরেন্দ্র। ক্রিকেটারের পরিবার সূত্রে খবর, হৃদযন্ত্রে বরাবরই সমস্যা ছিল বীরেন্দ্রর। এমনকি সেজন্য নিয়মিত ওষুধও খেতেন তিনি। এদিন আউট হওয়ার পর আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে এতটাই হতাশ হয়ে পড়েন তিনি যে, হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যায় তাঁর। এমনকি ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করে প্রথমে তাঁর হতাশাও ছুঁড়ে দেন বীরেন্দ্র। সতীর্থরা তেমনটাই জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: প্রকাশিত হল ইডেনে ডে-নাইট টেস্টের ম্যাসকট

তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে না-খুশ হয়ে এমন মৃত্যুর ঘটনা যে ক্রিকেটবিশ্বে বিরল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে হৃদযন্ত্রে সমস্যা নিয়েও এভাবে ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়াটা কতটা যুক্তিসঙ্গত ছিল। তাই আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অখুশি হয়েই কী মৃত্যু নাকি পিছনে রয়েছে অন্য কোনও শারীরীক কারণ, প্রশ্ন দানা বাঁধছে সেখানেও।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।