লন্ডন : মাত্র ২০০ টাকার খাবারের জন্য জরিমানা বাবদ দিতে হল দু লাখ টাকা। জরিমানার অঙ্ক শুনলে যে কোনও মানুষেরই চোখ কপালে উঠবে। তবে বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে ব্রিটেনের লুটনের বাসিন্দা জন ব্যাবেজের সঙ্গে। অপরাধটা যদিও তেমন গুরুত্বর নয়। তবুও বাধ্য হয়ে মেটাতে হল জরিমানার দু লাখ টাকা।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি খবরে জানা গিয়েছে, লুটনের ওই বাসিন্দা জন ব্যাবেজ তাঁর নাতিকে ভালো কিছু খাওয়ানোর জন্য ম্যাকডোনাল্ড থেকে ২০০ টাকার খাবার কিনেছিলেন। তবে সমস্যাটা খাবার নিয়ে নয়, সমস্যাটা হল তাঁর গাড়িকে নিয়ে। ম্যাকডোনাল্ডস থেকে খাবার কেনার পর ওই ব্যক্তি বাড়ি না গিয়ে প্রায় ২ ঘন্টা ধরে ঘুমিয়ে থাকেন তাঁর গাড়ির মধ্যে। আর সেখানেই ঘটে যায় বিপত্তি। ঘুম থেকে উঠে যে তাঁকে এত অঙ্কের টাকা জরিমানা গুনতে হবে তা হয়তো দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি তিনি। আর হলও তাই।

তবে জরিমানা নেওয়ার কারন শুনলে আঁতকে উঠবেন আপনিও। জানা গিয়েছে, ওই ভদ্রলোক ম্যাকডোনাল্ডস থেকে খাবার কেনার পর সেখানকার পার্কিং লটেই তাঁর গাড়ির মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। যদিও সেখানকার ম্যাকডোনাল্ডসে কোনও ক্রেতা খাবার কিনতে আসলে তাঁর গাড়ি ফ্রি পার্কিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ ১৭ মিনিট সময় দেওয়া হয়। আর সেক্ষেত্রে জন ব্যাবেজ সেই সময় সীমা লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত ২ ঘন্টা সেখানে কাটিয়ে ফেলেছেন। ফলে আর যাবেন কোথায়? এখন তাঁকে গুনতে হবে ২,৮০০ ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা দু লাখ টাকার সমান।

এই বিষয়ে ৭৫ বয়সী ব্যাবেজ বলেন, ” ম্যাকডোনাল্ডসকে জরিমানা মেটানোর জন্য তিনি ইতিমধ্যে ৪ বার নোটিশও পেয়েছেন। তাঁকে দ্রুত জরিমানা মিটিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তবে হাল ছেড়ে দিতে রাজি নন জন ব্যাবেজ ও তাঁর পরিবার। সামান্য ঘুমের জন্য এতটাকা জরিমানা নেওয়ার বিরোধিতা করেছেন তাঁরা। বিষয়টি কোর্ট অবধিও গড়াবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে এই ধরনের ঘটনা ব্যাবেজের সঙ্গে প্রথম নয়। এর আগেও লকডাউনের সময় এক মহিলা ম্যাকডোনাল্ডসের আউটলেটের ১০০ মিটারের মধ্যে গাড়ি চালানোয় তাঁর কাছ থেকেও নেওয়া হয়েছিল মোটা অঙ্কের জরিমানা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।