নয়াদিল্লি : শহরে ক্রমে বাড়ছে বেকারত্বের পরিমান। গত দশ মাসে তা প্রচুর বেড়ে গিয়েছে। হিসেব বলছে এর পরিমাণ প্রায় ১২ শতাংশ। এর কারণ হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে করোনাকেই। এবং এর প্রকোপের হওয়া লকডাউন শহরের মানুষের রোজগারে টান ফেলছে ভালো পরিমাণ।

জানা গিয়েছে, শহরে বেকারত্বের পরিমাণ গত দুই সপ্তাহেই বেড়েছে দুই শতাংশ। ২৫ এপ্রিলে যা ছিল ৯.৫৫ শতাংশ। ৯ মে তে তা হয়ে গিয়েছে ১১.৭২ শতাংশ। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির এমনই তথ্য দিয়েছে। এক মাসের তথ্য বলছে ৯.৭৮ থেকে থেকে বেড়ে হয়েছে ১১.৭২ শতাংশ।

সারা দেশের এই বেকারত্বের পরিমাণ ৮.৬৭ শতাংশ। এক পক্ষে অর্থাৎ গত ১৫ দিনে তা ৭.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮.৬৭ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। গ্রামীণ ক্ষেত্রেও তা ৬.৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭.২১ শতাংশ হয়ে গিয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন লকডাউনের জেরে কর্মক্ষেত্রের উপর বিপুল প্রভাব ফেলেছে। ইকোনোমিক একটিভিটি কম হওয়ায় এই অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞতা। তবে তারা এটাও বলছেন শুধু লকডাউন নয় ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক দিন ধরেই নিম্নগামী। এর জন্যও বড় প্রভাব পড়ছে কর্মক্ষেত্রের উপরেও। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি বা সিএমআইই আগেই জানিয়ে, এপ্রিল মাসে দেশের বেকারত্ব হার পৌঁছে যায় ৮ শতাংশে। এর আগে মার্চ মাসে দেশের বেকারত্বের হার ছিল ৬.৫ শতাংশ। তারপর হয় বিভিন্ন রাজ্যের লকডাউন। কোভিডের ধাক্কায় ছবিটা পাল্টে গিয়েছে। বলা হচ্ছে, আগামী কয়েক মাসেও কর্মসংস্থান বিশেষ তৈরির হবে না। বিশেষজ্ঞরা আবার অনেকে বলছেন কর্মসংস্থান আগামীতে তৈরিও হবে না।

বলা হচ্ছে এর বেশি প্রভাব পড়েছে শ্রমিক বা দিনমজুরদের উপর। এতো গেল অসংগঠিত ক্ষেত্রের কথা। সংগঠিত ক্ষেত্রেও চিত্রটা প্রায় একই। কারন, এপ্রিল মাস থেকে নতুন নিয়োগের প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে।

উপায় কী? বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্রুত কোভিড সংকট থেকে লড়াই করে বেরোনো। যত দ্রুত মোকাবিলা করতে পারবে, তার উপরই নির্ভর করবে কর্মসংস্থান ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.