কায়রো: আগেকার দিনের প্রতিটি সাম্রাজ্যের আলাদা আলাদা বিশিষ্টতা ছিল। কিন্তু এই সাম্রাজ্য একেবারেই আলাদা। সমুদ্রের তলায় শাসন চালাতেন রানী। ছিল গোটা একটা সাম্রাজ্য। কিন্তু কেন? পৃথিবী থেকে কেন লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি তার ঐতিহাসিক সৃষ্টিকে?

এই সাম্রাজ্যের স্রষ্টা ইতিহাস বিখ্যাত রানী ক্লিওপেট্রা। তিনি ছিলেন মিশরের অন্যতম শক্তিশালী রানি বা “ফারাও”। যদিও এই শব্দের সঙ্গে পুরুষরাই ছিল বেশি পরিচিত তবে মিশরে যে রানির রাজত্ব বেশ নাম করেছিল তিনি ক্লিওপেট্রা। মিশরে মাত্র ৩৯ বছরের জীবনকাল ও শাসনকালে এই রানি যে দৃষ্টান্ত রেখেছিলেন উন্নতির, তা সত্যি উল্লেখযোগ্য। আলেকজান্ডার মিশর জয়ের পর তার সেনাপতি টলেমির সাম্রাজ্য শুরু হয় সেখানে। বাবা টলেমির নির্বাসনে সিংহাসনে বসেন ক্লিওপেট্রা তার ছোট ভাই টলেমি ত্রয়োদশ। তারা নাকি বিয়েও করেন বলে প্রচলিত রয়েছে লোকমুখে। এরপর ক্লিওপেট্রা ২২ বছর ধরে মিশর শাসন করে এক অনন্য মিশর তৈরি করেন।

এই ফাঁকেই নাকি তিনি একটু একটু করে গড়ছিলেন তার লোকায়িত সাম্রাজ্য। এরপর ভূমধ্যসাগরে এর অস্তিত্বের খোঁজ পাওয়া যায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ বছর পর। এমনকি নায়িকা যে দ্বীপে শাসন চালাতেন তাও তিনি বেশি কিছু সময় লুকিয়ে রেখেছিলেন। খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে হওয়া ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প এবং সুনামিতে ক্লিওপেট্রার প্রাসাদসহ এই দ্বীপটি উন্মোচিত হয়েছিল। সেই সময়েই উঠে আসে ইতিহাসের এক অন্যতম অধ্যায়।

আরো পোস্ট- মাটির তলায় চাপা পরে গ্রাম, কারা থাকে…

ক্লিওপেট্রার সমুদ্রের নীচের তৈরি করা রাজপ্রাসাদ এলো সামনে। তবে সেই সময়ে তার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আস্তে আস্তে ক্ষয়ে গেছে গোটা সাম্রাজ্য। তবে ডুবুরিরা সেই প্রাসাদের পেছনের ইতিহাস জানতে লেগে রইলেন। জানা গেলো এটি রানীর জন্মেরও নাকি ৩০০ বছর আগে থেকেই ছিল সেখানে।

অর্থাৎ এটা জানা গেলো যে এই প্রাসাদ রানী তৈরি করেননি। উদ্ধার হলো দেবী আইসিসের মূর্তিসহ সেই সময়ে ব্যবহৃত বাসন, অলঙ্কার এবং স্ফিংক্সের দুটি মূর্তি। কিন্তু ইতিহাসবিদরা দাবি করেন, এখনো বেশিরভাগটাই রয়েছে অজানা। সেইসঙ্গে অজানা রয়েছে রানির সমাধিও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।