পোর্টব্লেয়ার: সোমবার প্রথম সমুদ্রের তলা দিয়ে অপটিক্যাল-ফাইবার-কেবিল প্রজেক্ট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চেন্নাই-আন্দামান এবং পোর্টব্লেয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও জোর দিয়ে দ্বীপাঞ্চলকে ভারতের অন্যান্য অংশের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। ইন্টারনেট পরিষেবা আরও উন্নত হওয়ার পাশাপাশি খরচেও লাগাম টানা সম্ভব হবে।

সমুদ্রের তলা দিয়ে ২৩১৩ কিলোমিটার লম্বা অপটিক্যাল-ফাইবার-কেবিল প্রজেক্ট চেন্নাই-আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের ৩০ তারিখ শিলান্যাস করেছিলেন মোদী।

সাবমেরিন অপটিকাল ফাইবার কেবল দ্বারা যোগাযোগ স্থাপন হবে পোর্টব্লেয়ার থেকে স্বরাজদ্বীপ (হ্যাভলক), ছোট আন্দামান, কার নিকোবর, কামরতা, গ্রেট নিকোবর, লং আইল্যান্ড, রনগত।

দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জীবনে আরও স্বাচ্ছন্দ্য যোগ হতে চলেছে। লকডাউনে বাড়ি থেকে কাজ করতে বা অনলাইন ক্লাস, পর্যটন, ব্যাংকিং, শপিং, টেলিমেডিসিন, হাজার হাজার পরিবার এই সুবিধা পেতে চলেছে।

চেন্নাই-আন্দামান এবং নিকোবর আন্ডার-সি ইন্টারনেট কেবল প্রজেক্ট নিয়ে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

১। ২৩১৩ কিলোমিটার লম্বা সাবমেরিন অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের শিলান্যাস হয়েছিল। প্রতি কিলোমিটারে যার খরচ ১২২৪ কোটি।

২। পোর্টব্লেয়ার ছাড়া সাতটি দ্বীপ এবং নিকোবর দ্বীপের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন হতে চলেছে।

৩। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দ্বীপগুলির যোগাযোগ আরও ভালো হবে। ইন্টারনেট কানেকশন বর্তমান সময়ের থেকে তিন থেকে চারগুণ শক্তিশালী হবে। ইন্টারনেটের স্পিড ৪০০ গিগাবাইট প্রতি সেকেন্ডে হবে বলেই জানা গিয়েছে।

সাবমেরিন অপটিক্যাল ফাইবার কেবল চেন্নাই থেকে পোর্টব্লেয়ার ২০০ জিবিপিএসের দ্বিগুণ এবং ১০০ জিবিপিএসের দ্বিগুণ পোর্টব্লেয়ার এবং অন্যান্য দ্বীপের মধ্যে হতে চলেছে।

৪। রেকর্ড গড়ে ২৪ মাসের কম সময়ে সমুদ্রের তলা দিয়ে এই কাজ সম্পন্ন করেছে বিএসএনএল।

৫। অপটিক্যাল-ফাইবার-কেবিল কানেক্টিভিটির মাধ্যমে ৪জি মোবাইল পরিষেবা আরও শক্তিশালী হতে চলেছে।

৬। উন্নত হবে ডিজিটাল পরিষেবা। টেলি-এডুকেশন, টেলি-হেলথ, ই-গভরনেন্স সার্ভিস এবং দ্বীপাঞ্চলে পর্যটন শিল্পকে আরও বাড়াতে সাহায্য করবে OFC কানেক্টিভিটি।

যোগাযোগমন্ত্রকের নজরদারিতে এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে টেলিকমিউনিকেশন কনসালট্যান্টস ইন্ডিয়া লিমিটেড প্রযুক্তিগত সহায়ক। ডিজিটাল ইণ্ডিয়ার পথে আরও কিছুটা এগোল ভারত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।